
মোঃ সাইফুল ইসলাম
শ্রীপুর উপজেলা প্রতিনিধি
শনিবার রাতে শ্রীপুর উপজেলাদ্বীন বরমী, মাওনা, টেলিহাটি, রাজাবাড়ি, কাওরাইদ, গোশিংগা সহ সকল ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের নিয়ে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করে পূজা মণ্ডপ কমিটির-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন শ্রীপুর উপজেলার বারবার নির্বাচিত সভাপতি জনাব শাহজাহান ফকির সাহেব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আখতারুল আলম মাস্টার। শ্রীপুর উপজেলার সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম। শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলিম উদ্দিন মৃধা। বরমী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আফাজ উদ্দিন প্রধান। বরমী ইউনিয়ন বিএনপির সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফয়জ আল মামুন ফকির। বরমী ইউনিয়ন ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি মোঃ রতন ফকির সহ উপজেলা ও বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত অংশ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান ফকির বলেন, বাংলাদেশের সব নাগরিক তথা- মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান ভেদাভেদ নেই, সকলের সমান অধিকার, সংখ্যালঘু বলতে কিছু নেই, আমরা সকলে বাংলাদেশের নাগরিক, নাগরিক অধিকার সকলের সমান। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার সংখ্যালঘু শব্দ ব্যবহার করে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন মন্দিরে হামলা চালিয়ে নাশকতা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আন্তর্জাতিক ভাবে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা সফল হতে পারেনি, বরং মন্দিরে হামলার ঘটনায় প্রমান সহ শেষ পর্যন্ত তাদের দলের নেতা কর্মীরাই আটক হয়েছে। এতেই বোঝা যায় ফ্যাসিবাদি আওয়ামী সরকারের সময় কোন ধর্মের মানুষ নিরাপদ ছিল না, নিরাপদে ধর্মীয় উৎসব উৎযাপণ করতে পারতো না। ৫ আগষ্ট ফ্যাসিবাদি হাসিনার পতনের পর দেশ স্বাধীন হয়েছে, সকল ধর্মাল্মীরা সুরক্ষাভোগ করছে। তিনি আরও বলেন, দলের নির্দেশ ক্রমে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গা উৎসবের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য বিএনপির নেতাকর্মীরা পূজা মন্ডপ পাহারা দিয়ে আসছেন। বিগত সরকারের আমলে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা স্বাধীন ও সুন্দরভাবে পূজা-অর্চনা করতে পারেননি। আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়েছে সব সময়। এখন সব ধর্মের অনুসারীরা- তারা তাদের নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করছে। ফ্যাসিবাদ আওয়ামী থাকাকালীন গত বছর শ্রীপুরে উপজেলায় মোট ৫৬টি পূজা মণ্ডপ ছিল, এবার তা বেড়ে ৫৯টি হয়েছে। এবার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নির্বিগ্নে এবং শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গা উৎসব উৎযাপন করছে। এসময় প্রশাসনের নিরাপত্তার বলয় নিয়েও তিনি প্রশংসা করেন। পরে উপজেলা এবং ইউনিয়নের অন্যান্য নেত্তৃবৃন্দরা গঠনমূলক সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।