
প্রতিবেদক: মোঃ নিজাম উদ্দিন:
ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের অন্তর্গত ক্যান্টনমেন্ট থানা ছাত্রদলের রাজনীতিতে এক পরিচিত, আস্থাভাজন ও ত্যাগী নাম— তারিকুল ইসলাম রাব্বি। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে তিনি নিজের শ্রম, মেধা ও সাহস দিয়ে ছাত্রদলকে সুসংগঠিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
বিগত স্বৈরাচার শাসনামলে তিনি ছিলেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নির্মম শিকার। তার বিরুদ্ধে ২ টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয় অজ্ঞাত আরো ৫ টি মামলার একটিতে তাকে প্রায় ১৮০দিন কারাগারের অন্ধকারে কাটাতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ সময় ধরে র্যাব, পুলিশ, ডিবিসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অব্যাহত নজরদারি ও হয়রানির কারণে তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন থেকেও বঞ্চিত ছিলেন।
এছাড়াও, বিগত সময়ে তিনি বহুবার ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন। প্রতিকূলতা, ভয়ভীতি ও দমন-পীড়নের এমন পরিবেশেও তিনি কখনো রাজপথ ছাড়েননি— বরং আরও দৃঢ় প্রত্যয়ে সংগঠনের পাশে থেকেছেন এবং সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন।
তিনি সবসময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এবং আপোষহীন নেত্রী খালেদা জিয়া-এর সংগ্রামী চেতনা ধারণ করে রাজনীতি করে আসছেন। একইসাথে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর দিকনির্দেশনায় তিনি সংগঠনকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সংগ্রামী সভাপতি রবিন খান এবং বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক আকরাম আহমেদ-এর নেতৃত্বে তিনি ক্যান্টনমেন্ট থানা ছাত্রদলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। মাঠপর্যায়ে তার সক্রিয়তা, সংগঠনের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং কঠোর পরিশ্রম ইতোমধ্যেই সহকর্মীদের মাঝে তাকে একজন নির্ভরযোগ্য সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সহকর্মীদের মতে, তারিকুল ইসলাম রাব্বি শুধু একজন কর্মী নন— তিনি একজন সাহসী সংগ্রামী, দক্ষ সংগঠক এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের যোগ্য দাবিদার। তার সততা, নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগ নেতাকর্মীদের মাঝে আস্থা ও বিশ্বাস তৈরি করেছে।
বর্তমানে তিনি ক্যান্টনমেন্ট থানা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা— দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সংগ্রাম, কারাবরণ এবং সংগঠনের প্রতি অবিচল নিষ্ঠার যথাযথ মূল্যায়ন করে তাকে নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হবে।
একইসাথে সংগঠনের অনেকের আশা— হাইব্রিড, চাটুকারিতা ও স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে উঠে, এমন ত্যাগী, পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্ব যেন অবমূল্যায়নের শিকার না হয়। কারণ, এ ধরনের নেতৃত্বই সংগঠনের প্রকৃত শক্তি এবং ভবিষ্যৎ আন্দোলন-সংগ্রামের মূল ভরসা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদের সামনে নিয়ে আসা গেলে সংগঠন আরও সুসংগঠিত হবে এবং আগামীর আন্দোলনে কার্যকর ও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।