নিজস্ব প্রতিনিধি
ধামরাই উপজেলার বালিয়া উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ধামরাই – সাটুরিয়া -মির্জাপুর সীমানায় অবস্থিত এক উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র। যা দীর্ঘদিন যাবৎ স্থানীয় জনৈক এক প্রভাবশালী ব্যক্তির দাপটে স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছিল।
চেয়ারম্যানসহ আশেপাশের বিত্তশালী লোকজনের অনুরোধেও তিনি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সীমানা নির্ধারণ, নামজারী যেকোনো কিছুই করার ক্ষেত্রে বার বার বাঁধা হয়ে দাড়াচ্ছিলেন।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূর রিফফাত আরা যতবার পরিদর্শনে যান, উনার সাক্ষাৎপ্রার্থী হোন, উনি ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকেন। নানা ব্যস্ততা দেখান এবং মামলা করার কথা বলেন।
মার্চ,২০২৩ এ ডিসি মহোদয়ের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে এসি ল্যান্ড থাকবেন, এমন এক চিঠি ইউএইচএফপিও মহোদয়ের হাতে আসলে,তিনি ডিসি মহোদয়ের স্বাক্ষরিত চিঠি পাঠালেন এবং এসিল্যান্ডের সাথে কথা হলে,জানালেন সীমানা নির্ধারণের কাজে তিনি সর্বচ্চো সহায়তা করবেন ।
ইউএইচএফপিও মহোদয় এসিল্যান্ড, এইচইডি ইঞ্জিনিয়ার সহ সরেজমিনে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র পরিদর্শন পরবর্তী একে একে নামজারী, আর,এস,পরচা, খতিয়ান, ভূমি কর সকল সম্পন্ন হল। জুন মাসের ২২তারিখ- সার্ভেয়ার(আমীন) গেল সীমানা নির্ধারণ করতে। প্রভাবশালী জনৈক লোকের চালাকির কাছে হার মেনেই কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই ফিরে আসল।
সেখানে কর্মরত ফার্মাসিস্ট কানাইলাল, যার আন্তরিকতা ও সাহসিকতার জন্যই UHFPO মহোদয় কথা দিলেন, “ঈদের পরই তারিখ নেন, ওইদিনই সীমানা খুঁটি দিবই। আপনি সাহস রাখেন। আপনি শুধু আপনার পক্ষে কথা বলার গ্রামবাসী উপস্থিত রাখবেন। আমি আছি আপনার সাথে।” তারিখ নির্ধারিত হল ও এরই মধ্যে ডাঃ রিফফাত ফোনে বেনামি কিছু হুমকি দেওয়া শুরু হল।
০২ জুলাই ২০২৩, বৃষ্টির মধ্যেই ইউএইচএফপিও মহোদয় এসিল্যান্ডকে ফোন দিয়ে সময়মত সার্ভেয়ার(আমীন) এর উপস্থিতি নিশ্চিত করলেন। ধামরাই উপজেলার বালিয়া উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির জায়গা উদ্ধার ও সীমানা নির্ধারণ করে খুঁটি স্থাপনার কাজ অত্যন্ত সুন্দর সুশৃঙ্খল পরিবেশের মাধ্যমে সম্পন্ন হল।
