সোনাগাজী ফেনী প্রতিবেদক:
জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দৈনিক প্রথম বাংলা সোনাগাজী প্রতিনিধির বাড়িতে সন্তাসি কায়দায় হামলা ও বাড়িঘর ভাংচুর সহ প্রাননাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ উড়ছে স্থানীয় একি বাড়ির এনামুল হক ৫৮ ও তার স্ত্রী ও বড় মেজো ছেলে নজরুলের বিরুদ্ধে, গত ২২শে অগাস্ট এক ফোন কলের মাধ্যমে অভিযুক্ত নজরুল (সৌদি প্রবাসী) বিকাল আনুমানিক ৫:২২ এ ভুক্তভোগী শরিফুল ইসলামের মুঠোফোনে কলদিয়ে হুমকি দমকি ও ভয় ভিতি দেখায়,
আজ শনিবার দুপুরে এনামুল হক ও তার স্ত্রী আলেয়া বেগম ভুক্তভোগী শরিফুল ইসলাম এর ঘর ভাংচুর ও তার ছোট ভাই জহিরুল ইসলাম এর ওপর হত্যার উদ্দেশ্য ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে এবং গালি গালাজ করতে থাকে, উক্ত ঘটনায় স্থানীয় মেম্বার ও সমাজের গণ্য মাণ্য লেকদের কাছে বিচার জানিয়েও তারা কোন সমাধান দিতে অপারগতা প্রকাশ করে, স্থানীয় সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ওবায়দুল হকের সাথে কথা বলে জানাযায় এনামুল হক একটু উস্রিংখল প্রকৃতির লোক এনামুল তার প্রতিবেশী সকলের সাথে উশ্রিংখল আচরণ করে এবং সমাজের কারো কোন বিচার সে মানেনা ইতি পুর্বে তাকে কয়েকবার সমাজচ্যুত করা হয়েছিলো তার এসব কর্মকান্ডের জন্যা তাই আমরা পরামর্শ দিয়েছি আইনের আশ্রয় নিতে কথাগুলো বলছিলেন ওবায়দুল হক,
আজ বিকাল আনুমানিক ৫:০০ টায় সোনাগাজী মডেল থানায় পরিবারের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ভুক্তভোগী শরিফুল ইসলাম এর ছোট ভাই বাদি হয়ে একটি সাধারণ ডায়রি করে আসেন ভুক্তভোগী শরিফুল ইসলাম এর ছোট ভাই জহিরুল বলেন ১৫ বছর এরও বেশি সময় ধরে এখানে জায়গা কিনে বাড়ি করে বসবাস করছি সবসময় এনামুল ও তার স্ত্রী আলেয়া বেগম সিমানা পিলার ভেঙে পেলে সবসময় গালি গালাজ করে বলে নাকি আমাদের কাছে জায়গা পাবে গত ২ বছরে ৫ বারের মতো জায়গা মাফছিলো এক ইন্সি জায়গাও পায়নাই তারপরও আমাদের জায়গায় ওরা গাছ রোপণ করে বেডা দিয়ে দখলের চেষা করে আমাদের বাড়ির পানি যেতে দেয়না আজ আমাদের জায়গার মধ্যে ওরা বেডা দিতে আসলে আমি গিয়ে বদা দেই এতে করে এনামুল ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারার জন্য তেডে আসে এবং আমাদের বাড়ির ওপর ইট মারতে থাকে এতেকরে আমাদের গরের অনেকগুলো টিন এবং অনেক খতিহয়, একটা ইট আমাকে লক্ষকরে মারলে অল্পের জন্যে আমার গায়ে না পড়ে আমাদের গরের টিন ছিডে গরে ডুকেযায় ঘরে আমার বড় ভাইয়ের ৮ মাসের বাচ্চা ঘুমাচ্ছিলো অল্পের জন্যে সেও রক্ষাপায় তাই আমি আজ বাদি হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় পরিবারের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সাধারণত ডায়েরি করি।
