
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
বিবি আমেনা প্রঃ প্রিয়াঙ্কা ভিকটিম আশরাফুল ইসলাম হৃদয় এর সাথে তার নিজ নাম প্রিয়া পরিচয় দিয়ে মোবাইলে কল করে বন্ধুত্ব করতে চায়। কয়েকদিন মোবাইলে কথা বলার পর প্রিয়ার সাথে ভিকটিম আশরাফুল ইসলাম হৃদয় দেখা করতে যায় হালিশহর থানাধীন বড়পুল মোড়ে। ভিকটিম ০৩/১০/২৩ খ্রি. সন্ধ্যা ৬.০০ ঘটিকায় বড়পুল মোড়ে প্রিয়ার সাথে দেখা করতে গেলে প্রিয়ার স্বামী ১নং বিবাদি মহিবুর রহমান প্রঃ নিশানসহ ২নং বিবাদি মোঃ রয়েল ৩নং বিবাদি মোঃ শরিফ ৪নং বিবাদি শাহাদাত (২২) এবং ৫নং বিবাদি বিবি আমেনা প্রঃ প্রিয়াঙ্কা ভিকটিমকে পরস্পরের সহায়তায় জোর করে মুখ চেপে ধরে সিএনজি যোগে অপহরণ করে ছুরির ভয় দেখিয়ে বন্দর থানাধীন পোর্ট কলোনির রেলবিট এলাকায় নিয়ে যায়। উক্ত স্হানে নিয়ে গিয়ে ভিকটিমের কাছে ৩০,০০০ /- টাকা মুক্তিপণ দাবী করে। বিবাদিরা ভিকটিম হৃদয়কে রাত অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় ডবলমুরিং মডেল থানাধীন মনছুরাবাদ গাট্টিশাহ মাজারের পিছনে ফারুক মিয়ার বিল্ডিংয়ের ২য় তলার ৮নং রুমে ২নং বিবাদির ভাড়া ঘরে নিয়ে আসে। সেখানে কাঠের বাটাম দিয়ে উপুর্যুপরি মারধর করে। বিবাদিরা ভিকটিমের স্ত্রীকে ফোন দিয়ে ৩০,০০০/- টাকা চাঁদা দাবী করে। ভিকটিমের স্ত্রী বিষয়টি ডবলমুরিং মডেল থানা পুলিশকে অবহিত করে।
পুলিশের পরামর্শ মতে ভিকটিমের স্ত্রী চাঁদার টাকা নেয়ার জন্য বিবাদিদের ভিকটিমকে নিয়ে দেওয়ানহাট মোড়ে আসতে বললে বিবাদি মহিবুর রহমান সজিব প্রঃ নিশান, মোঃ রয়েল কে ডবলমুরিং মডেল থানার এসআই আহলাদ ইবনে জামিলের নেতৃত্বে একটি টিম আটক করে এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করে। আটককৃতদের দেখানোমতে গাট্টিশাহ মাজারের পিছনে ফারুক মিয়ার বিল্ডিং এর ২য় তলাস্হ ৮ নং বাসা থেকে ঘটনায় ব্যবহৃত ১ টি কাঠের বাটাম, টিপ ছুরি, বিবাদি কর্তৃক ভিকটিমকে মারধর করার ভিডিও ধারণ করা মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃতদের দেয়া তথ্য মতে হালিশহর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ শরিফ এবং মোঃ শাহাদাতকে গ্রেফতার করা হয়। উক্ত ঘটনায় সিএমপির ডবলমুরিং মডেল থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।