
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, ‘আমি কোনো ধরনের সিন্ডিকেটে বিশ্বাস করি না। তবে চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবাইকে নিয়ে কাজ করা হবে। বিধিবিধান মেনে সব সংস্থাকে নিয়ে চট্টগ্রামের উন্নয়নে কাজ করা হবে।’ বৃহস্পতিবার নানা মেগাপ্রকল্পের কাজ তদারকি শেষে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর সরকারি নানা সংস্থার কাজের তদারকিতে এই প্রথম চট্টগ্রামে আসেন উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।
গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, ‘আমার হাতে আলাদিনের চেরাগ নেই। তবে সব অনিয়ম বন্ধ করব। সব সংস্থাকে নিয়ে নিয়ম ও বিধিবিধান অনুযায়ী চট্টগ্রামের উন্নয়নে সব কাজ করা হবে। মন্ত্রী বলেন, আজ চট্টগ্রামে এসে সংশ্লিষ্টদের সাথে বৈঠক করেছি। বৈঠকে কোনো সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়নি, আলোচনা হয়েছে সমাধান নিয়ে। কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সিডিএর সঙ্গে বসিনি। কাজের প্রোগ্রেস নিয়েও বসিনি। সবাইকে আমি কিছু নীতিগত কথাবার্তা বলেছি। আমরা সকলে দেশপ্রেমের সঙ্গে কাজ করি, আইনের বিধান মেনে কাজ করি। গৃহায়ন, গণপূর্ত, সিডিএ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সকলের সাথে যেন সমন্বয় থাকে সেই বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। একইসঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে এসব সংস্থার যেন সমন্বয় থাকে সে বিষয়েও সবাইকে তাগাদা দিয়েছি।’
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘জলাবন্ধতার সমস্যাটি আমার নজরে রয়েছে, থাকবে। এজন্য যখন প্রয়োজন পড়বে তখন আমি চট্টগ্রামে আসব। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের ব্যাপারে সিডিএ চেয়াম্যানের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। বিষয়টি তিনি দেখছেন।’
গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, ‘বঙ্গোপসাগর উপকূল ও কর্ণফুলী নদী তীরে নির্মিত হয়েছে অসংখ্য ফ্লাইওভার ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, আউটার রিং রোড ও মেরিন ড্রাইভ। বন্দর ও বঙ্গবন্ধু ট্যানেল কেন্দ্রিক চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বাস্তবায়নাধীন এসব মেগাপ্রকল্পে বদলে যাচ্ছে পুরো বন্দরনগরী চট্টগ্রামের অর্থনীতির চেহারা।