
মো: আমিনুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টা, দৌলতপু, মানিকগঞ্জ।
মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলা একটি নদীবেষ্টিত এলাকা। দৌলতপুর উপজেলায় চারটি ইউনিয়নের চারপাশ ঘিরে রেখেছে নদী। মানুষের জীবন যাপন থেকে শুরু করে চিকিৎসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সকল ক্ষেত্রেই বাধা যেন এই নদী। নদীকে অতিক্রম করে চলতে হয় মানুষের জীবনের।
আর এই নদীর সাথে সংগ্রাম করে যে মানুষগুলো বেঁচে আছে তাদের অনেক দিনের চাওয়া ছিল এই নদীবে বৃষ্টিতে একটি বাঁধ যা পূরণ হতে চলেছে বাচা মারা ও চরকাটার ইউনিয়নে।এই দুইটি ইউনিয়নে প্রায় তিন কিলোমিটার বেড়ি বাঁধের কাজ চলছে।
চলমানের কাজের পরিদর্শনের জন্য মানিকগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ জাহিদ ১৬ ইং ফেব্রুয়ারি দৌলতপুর থানার বাচামারা ও চরকারি ইউনিয়নের বেরিবাদের কাজ পরিদর্শন করেন পরিদর্শন করেন। এ সময় সালাউদ্দিন মাহমুদ জাহিদ বলেন, নদী ভাঙ্গনের কি জ্বালা সেটা আমি জানি কারণ আমি চরেরই ছেলে, তাই সরকারের উন্নয়নকে দ্বার গোড়ায় পৌঁছানোই হচ্ছে আমার কাজ, বেড়ি বাঁধের কাজ প্রক্রিয়া দিন ভাবে জাফরগঞ্জ পর্যন্ত চলবে।
এছাড়াও সংসদ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান এবং চাকমিপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম শফিকের বাড়িতে ওয়াজ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহিনুর রহমানসহ কাজ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এ সময়ে প্রকৌশলী শাহিনুর রহমান বলেন দৌলতপুর উপজেলায় ২১ কোটি টাকায় বরাদ্দে ৯ লাখ ৮৩,৩১৭ টি বস্তা ফেল হবে।
এ সময় চরকাটারি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বলেন, আমাদের পার্কেসা হাজার হাজার মানুষ দীর্ঘদিন যে কষ্ট করছে আমরা এই বেড়ি বাঁধের মাধ্যমে সেটা সুফল পাব।