
রানা ইস্কান্দার রহমান
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
গাইবান্ধা সদর উপজেলার উত্তর ঘাগোয়া হিন্দুপাড়া গ্রামের (২নং ওয়ার্ড) ক্রয়কৃত বসতবাড়ীর জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে কলহ চলে আসছে। এক পযার্য়ে দুপক্ষের মধ্যে ঝগড়াঝাটিসহ গ্রাম্য শালিস একাধিকার বার হয়। মৃত জয়নাল আবেদীন জীবিতথাকালীন সময় উত্তম কুমারের কাছে ২ দফায় ৫ শতক জমি বিক্রয় করেন। উত্তম কুমার ক্রয়কৃত জমিতে বসতবাড়ী নিমার্ণ করে জীবিকা নিবার্হ করছিল।
দফায় দফায় ৫ শতক জায়গা নিয়ে মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলেরা বিভিন্ন সময় উচ্ছেদের জন্য উত্তম কুমারকে হুমকি দামকি দিয়ে আসছিল। উত্তম কুমারের ক্রয়কৃত জায়গায় মৃত জয়নাল আবেদীনের পরিবারের লোকজন দখলের জন্য হামলা চালিয়ে ভাংচুর এবং অগ্নি সংযোগ করে।
অভিযোগে জানা গেছে, উক্ত গ্রামের মৃত রনজিৎ চন্দ্র মোদকের ছেলে উত্তম কুমারের সাথে একই গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে রাসেল মিয়া, আরিফ মিয়া, জাবেদ আলীর ছেলে আব্দুল হামিদ, আব্দুল হাই ও হালিম মিয়ার দীর্ঘদিন থেকে বিবাদ চলে আসছে।
গত ১৯ মার্চ ২০২৪ সকাল সাড়ে আটার দিকে উত্তম কুমারের নতুন নিমার্ণাধীন বসতবাড়ীতে উক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চাালিয়ে ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগ করে। হামলা চলাকালে উত্তম কুমারের কাকা সুবোধ কুমার মোদক, কাকী অনিতা রানী সরকার ও তার স্ত্রী নীলা রানীকে বেধরক মারপিট করে গুরুতর আহত হয়। স্থায়ীভাবে দুজন চিকিৎসা নিয়েছেন।
আহত সুবোদ কুমার মোদকের অবস্থা আশংকা জনক হলে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়।
আরও জানা গেছে, দীর্ঘদিন থেকে ওৎপেতে থাকা হামলাকারীরা উত্তম কুমারের নতুন নিমার্নাধীন বসতবাড়ীতে হামলা, ভাংচুর এবং পলেরপালায় অগ্নিসংযোগ করে। এঘটনায় উত্তম কুমার পরিবারের লোকজনকে নিয়ে আতংকে রয়েছে এবং এঘটনায় প্রায় ২ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয়।
উত্তম কুমার ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে এবং পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
হামলার ঘটনায় উত্তম কুমার প্রতিকার চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং—৬৬/২৪,