
টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি
রাহিদ রানা
শনিবার (২০ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল পৌরসভা কর্তৃপক্ষ হঠাৎ টাঙ্গাইল শহরের ফুসফুস খ্যাত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের ৬টি প্রাচীন শীলকড়ই গাছ কাটতে শুরু করে পৌর কর্তৃপক্ষ ।
কোন রকম টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়াই মেয়রের একক সিদ্ধান্তে শুরু হয় প্রাচীন এইসব বৃক্ষ নিধন। মূহুর্তের মধ্যেই সেই খবর ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে । পরে সাংবাদিক নওশাদ রানা সানভিসহ ( পরিবেশবাদী সংগঠন কিম্বা পরিবেশবাদী কর্মী ব্যতীত) বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মী, মানবাধিকার কর্মী, সমাজের সচেতন নাগরিক এর প্রতিবাদ করলে গাছ কাটা বন্ধ হয়। পরে পৌর মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর সাহেব তড়িঘড়ি করে এসে উপস্থিত হন।
তিনি শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের প্রাচীন শীলকড়ই গাছের সুশীতল ছায়াতলে বসে সেখানে উপস্থিত সবাইকে এই সব বৃক্ষ নিধনের যৌক্তিকতা তুলে ধরে এক জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করেন। তিনি বৃক্ষ নিধনের পক্ষে অকাট্য যুক্তি উপস্থাপন করেন।
কিন্তু উপস্থিত কেউ তার সেই যুক্তি- বুঝতে পারে নি বা মেনেও নেয় নি।
ফলে বাধ্য হয়ে আপাতত: তার এই ছয়টি প্রাচীন বৃক্ষ নিধন কর্মসূচি স্থগিত হয়ে যায়।
ইতিপূর্বে তিনি জেলা সদর রোড প্রশস্ত করনের সময় টাঙ্গাইল সদর থানা ভূমি অফিসের সামনের শত বছরের প্রাচীন বট গাছ কাটার যৌক্তিকতা তুলে ধরে সেই দেড়শ বছরের প্রাচীন বট গাছ কেটে যাত্রী ছাউনী তৈরি করেন।
যেটা বর্তমানে কোন কাজেই আসছে না। যাত্রী ছাউনিটি এখন নেশাগ্রস্ত লোক ও ভবঘুরে ও রাতের মোক্ষি রানিদের দখলে।
সত্যি সেলুকাস, কি বিচিত্র এই দেশ!!