
আনোয়ার আহমেদ, কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লাার হোমনায় সোনিয়া (২১) নামের এক গৃহবধূর ফাশিতে ঝুলে মৃত্যু হয়েছে।
তবে স্বজনরা দাবি তুলেছে যে, তাকে পিটিয়ে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়া রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সকালে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে হোমনা থানা পুলিশ।
জানাগেছে, বুধবার দিবাগত রাতে নিলখী ইউনিয়নের অযোদ্ধানগর গ্রামে সোনিয়ার শশুর বাড়িতে গলায় ফাঁস দিলে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
নিহত সোনিয়া আক্তার তিতাস উপজেলার উত্তর আকালিয়া গ্রামের মো. শাহজাহানের মেয়ে ও হোমনা উপজেলার অযোদ্ধা নগর গ্রামের শহীদ উল্লাহ বেপারীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ বছর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়ে সোনিয়া আক্তার ও শহীদ উল্লাহ বেপারীর পরিবারের অমতে বিয়ে করে।পরে উভয় পরিবার তা মেনেও নেন।
গতকাল রাতে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে শহীদ উল্লাহ’র সাথে সোনিয়ার কথাকাটাকাটি হলে শহীদ উল্লাহ এক পর্যায়ে ঘরের বাহির চলে যায়। ধারণা করা হচ্ছে ভোর রাতে সোনিয়া ওরনার সাহায্যে ফ্যানের সাথে ফাঁস নেয়। সকালে তাকে উদ্ধার করে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মুত ঘোষনা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে কুমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফটকে আহাজারি করে নিহতের স্বজনরা দাবি করেন সোনিয়াকে হত্যা করে ফাঁসির নাটক সাজিয়েছে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন জানান, মৃত্যুর কারন নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। কোন অভিযোগ পাইনি তবু জিডি মূলে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে বলা সম্ভব হবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।তখন তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।