
প্রতিনিধি, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় কেরানীগঞ্জ উপজেলার তারানগর ইউনিয়নের ছোট ভাওয়াল এলাকায় শহীদ রিয়াজের বাসায় যান বিএনপি নেতা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আমানউল্লাহ আমান। এসময় সাবেক সাংসদকে দেখে আবেগে আপ্লূত হয়ে পড়েন নিহতের মা শেফালী বেগম। তিনি বলেন,” দেশের মানুষকে স্বাধীন করার জন্যে আমার ছেলে রিয়াজসহ অগণিত ছাত্র জনতা গুলিতে প্রাণ দিয়েছে। আপনারা আমার ছেলে সহ সকল শহীদদের ভুলে যায়েন না। রিয়াজকে স্মরণের জন্যে তার প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভাওয়াল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে যদি একটি ভবন বানানো হয় তাহলে কেরানীগঞ্জবাসী ও ছাত্র জনতা তাকে মনে রাখবে।তখন বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ শেফালী বেগমকে শান্তনা দিয়ে বলেন, “ছাত্র জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আমাদের প্রাণের ভাই রিয়াজ শহীদ হয়েছে। আপনাদের দাবি আমরা দলের পক্ষ থেকে পূরণ করবো ইনশাআল্লাহ্।
আমানউল্লাহ আমান সাংবাদিকদের বলেন, আবু সাঈদ রক্ত দিয়েছে, শহীদ হয়েছে। রিয়াজ রক্ত দিয়েছে, শহীদ হয়েছে। এমনিভাবে শত শত ছাত্র জনতা রক্ত দিয়েছে, শহীদ হয়েছে। আমরা তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। তাঁদের রক্তের বিনিময়ে আমরা নতুন স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। এই স্বাধীনতাকে আমাদের ধরে রাখতে হবে। এই অর্জিত স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, রিয়াজের স্মৃতি রক্ষার্থে ইতোমধ্যে কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর গোল চত্বরকে “শহীদ রিয়াজ স্মৃতি চত্বর” নামকরণ করে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আগামীতে শহীদ রিয়াজের নামে নামকরণ করে ভাওয়াল স্কুলে একটি নতুন ভবন নির্মাণ করে দেওয়া হবে।
পরে আমানউল্লাহ তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শহীদ রিয়াজ হোসেনের মা শেফালী বেগমের কাছে
নগদ দেড় লাখ টাকা অর্থ সহায়তা তুলে দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইরফান ইবনে আমান অমি, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা বিএনপির সভাপতি মনির হোসেন, সহসভাপতি শামীম আহসান, সাধারণ সম্পাদক মো. হাসমতউল্লাহ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক,মাসুদ রানা সহ আরও অনেকে।