
দুমকী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকীতে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রেমিক হাসান মাহমুদ সাজিনের বিরুদ্ধে।
সেই সূত্রে রবিবার(২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে প্রেমিকের বসত বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশনব্রত প্রেমিকা চাঁদনি আক্তার।অভিযুক্ত ওই প্রেমিক উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের রশিদ শিকদার মাষ্টারের একমাত্র ছেলে।
সোমবার(৩০ ডিসেম্বর) অনশনরত যুবতী চাঁদনী অভিযোগ করে জানান, প্রায় চার বছর আগে লেবুখালীর ইউনিভার্সিটি স্কয়রে সাজিনের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয়। তাদের পরে প্রেমের সম্পর্ক জড়িয়ে নিয়মিত দেখা সাক্ষাত করেন তারা। এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন সাজিন। কিন্তু গত ৫ মাস যাবৎ সাজিন সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। সম্প্রতি সাজিন অন্য মেয়েকে বিবাহ করতে বাড়ি এসেছে জানতে পারেন চাঁদনি। গতকাল সাজিনে বাড়িতে চাঁদনির উপস্থিতি টের পেলে লাপাত্তা হয় সে।
এছাড়াও চাঁদনী আরও অভিযোগ করে বলেন, সাজিনের ঘরের সামনে গেলে সাজিনের মা, ফুফু ও বোন তিনজন আমাকে মারধর করে মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। তাৎক্ষণিক কিছু সাংবাদিকবৃন্দ এসে উপস্থিত হলে তাদের মাধ্যমে মোবাইল ফিরে পাই। বর্তমানে এলাকার প্রভাবশালীরা আমাকে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে চাপ প্রয়োগ করতেছে। আমি নিজেকে নিরাপত্তাহীন মনে করছি।
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে হাসান মাহমুদ সাজিন, বলেন চাঁদনী আমার ছোট বোনের বান্ধবী তাই প্রায়ই বোনের সাথে বাড়িতে আসতেন। শারীরিক সম্পর্কের বিষয় তিনি অস্বীকার করে বলেন, এটা মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র।
এদিকে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে ইতিপূর্বে পারিবারিক পর্যায়ে ও স্থানীয়ভাবে সমঝোতার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তারা।
দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, উক্ত ঘটনায় চাঁদনী আক্তারের মা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ গিয়ে প্রাথমিক তদন্তে তাদের মধ্যে একটি সম্পর্কের সত্যতা পেয়েছে
ছেলে বর্তমানে পলাতক অবস্থায় আছে।