
মো. নাজিউল্লাহ ভূইয়া
কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সাবেক চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় কেরানীগঞ্জে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে নেতাকর্মীরা গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
শুক্রবার কেরানীগঞ্জ উপজেলা মডেল বিএনপির উদ্যোগে উপজেলার শাক্তা ইউনিয়নের বামুনশুর খেলার মাঠে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে মরহুম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনার পাশাপাশি দেশের শান্তি, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি বলেন,
“বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক অবিস্মরণীয় প্রতীক। স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামে তিনি তাঁর পুরো জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি যে গণতন্ত্রের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, তা রক্ষায় আমি অটল থাকব।”তিনি আরও বলেন,“দেশের জন্য তিনি যা করে গেছেন, যে গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে দিয়ে গেছেন, তা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সেই লড়াই অব্যাহত রাখবে।”
দোয়া মাহফিলে আরও বক্তব্য রাখেন ডাকসুর সাবেক ভিপি ও সাবেক সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান। তিনি বলেন,“বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন গণতন্ত্রের প্রতীক। জেল-জুলুম ও নির্যাতনের মধ্যেও তিনি কখনো গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপস করেননি। আজ তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি আমাদের শপথ নিতে হবে—এই দেশে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা মডেল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী মো শামিম হাসান, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক জানে আলম সুমন, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাজী সাইফুল ইসলাম, জাসাসের আহ্বায়ক সাফায়েত, শাক্তা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মহসিন মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জুলাই যোদ্ধা শহিদ রিয়াজের বাবা ও সাবেক শাক্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান খান, মিজানুর রহমান, যুবদল নেতা মাসুদ রানা লোকমান, শাওন শহিদুল ইসলামসহ উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
দোয়া মাহফিলে মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।পাশাপাশি দেশের শান্তি, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধারে ও মোনাজাত করা হয়।