
খুবি প্রতিনিধি
শীতের সকালে সূর্য উদিত হওয়ার পরপরই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দেখা মেলে কুয়াশাচ্ছন্ন ও স্নিগ্ধ পরিবেশ। কুয়াশা ভেদ করে সূর্যের কিরণ যখন তার উপর পড়ে তখন জ্বলজ্বল করে জ্বলে উঠে ঘাসের মাথা ও পুষ্পরাজি। এমন পরিবেশ উপভোগ করতে অনেকে আসে এই ক্যাম্পাসে।আবার কেউ কেউ আসে এমন সকালে ব্যয়াম করতে।
লেকের পানিতে ভাসমান লাল পদ্ম ও লাল শাপলার উপর যখন সূর্যের কিরণ পরে তখন মনে হয় প্রকৃতি যেন তার সব রূপ ঠেলে দিয়েছে এই ক্যাম্পাসে।পাখির কলরব যুক্ত করেছে এক নতুন মাত্রা। পাখিগুলো খাদ্য সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে।
শীতের সকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল মাঠে পা দিলেই যেন অন্য রকম এক অনুভূতি কাজ করে। সেখানে দেখা মেলে আন্তঃ ডিসিপ্লিন ক্রিকেট প্রতিযোগিতার শিক্ষার্থীদের সাথে। নিজেকে ফিট রাখার জন্য কেউ করছে রাউন্ড দৌড়, কেউ বলিং কিংবা কেউ নেটে প্রাকটিস। সেই সাথে দেখে মেলে উৎসাহদাতাদেরও।
সকালে মনকে স্বস্তি, মনোযোগ ও কর্মঠ রাখতে নির্মান করা হয়েছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্মুক্ত ব্যায়ামাগার।এখানে শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও বহিরাগতরা নিয়মিত শরীর চর্চা করেন।
বহিরাগত মাহমুদ হোসেন জানান, ” আমি নিয়মিত খুবির ক্যাম্পাসে হাঁটতে আসি।খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীত শুধু একটি ঋতুর নাম নয় এটা একটা অনুভূতি। সবকিছু মিলিয়ে সকালটা শুরু অন্যরকম এক পরিবেশের মধ্য দিয়ে।”
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আকাশ জানান, “খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশির ভেজা সকালে, পাখির কিচিরমিচির কলরবে ক্যাম্পাসে এক নতুন আভাস দেখা মেলে। সাথে খুবির নীল বাস দেখার এক আলাদা মজা আছে। সকালে যারা জাগে না, তারা কখনো এটা উপলব্ধি করতে পারবে না। “