
জাবি প্রতিনিধি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) লিও ক্লাবের উদ্যোগে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ হল ও তারামন বিবি হলে ৬৫ টি গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আজ শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ হলে ৩০ টি গাছ রোপন করা হয়েছে এবং আগামীকাল তারামন বিবি হলে ৩৫ টি গাছ রোপন করা হবে।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে এগারোটায় শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ হলে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও হল প্রভোস্ট বৃক্ষরোপন কর্মসূচী উদ্বোধন শুরু হয়।
বৃক্ষরোপন কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন, উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান, উপ উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ ও শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক খো: লুৎফুল ইলাহী।
উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করে বলেন, হল প্রশাসন ও লিও ক্লাবের উদ্যোগে যে জায়গায় গাছ লাগানো হচ্ছে এই একটা অপরিত্যাক্ত, ময়লার ভাগার ছিল। জায়গাটা পরিস্কার করে এখানে গাছ লাগানো, এটা একটা প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এভাবে বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে যেন আমরা পরিবেশের প্রান প্রকৃতি রক্ষা করতে পারি।
এসময় শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের প্রাধ্যক্ষ ড. খোন্দকার মোঃ লুৎফুল ইলাহী বলেন, প্রত্যেকটা দেশে মোট ভূমির অন্তত ২৫ ভাগ গাছপালা থাকা উচিত। কিন্তু আমাদের দেশে সেরকম কোনো উদ্যোগ নেই। একদিকে গাছপালা যেমন ছায়া দানকারী, জীবন রক্ষাকারী তেমনি অন্যদিকে গাছপালা আমাদের ফুল-ফল দেয়। লিও ক্লাবের উদ্যোগে যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হচ্ছে তা অবশ্যই প্রশংসনীয়। পুরো ক্যাম্পাসে যাতে বিভিন্ন উদ্যোগে, বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে এই বনায়নগুলো অব্যাহত থাকবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আল মাহমুদ বলেন, প্রকৃতির মাঝে আমার বাস, ফল চাই বারো মাস। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচুর গাছপালা থাকলেও ফলদ বৃক্ষের পরিমাণ তুলনামূলক কম। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ফলের চাহিদা কিছুটা হলেও মিটাতে সক্ষম হবে আমাদের এই উদ্যোগ। প্রায় ২০ ধরনের ফল গাছ রোপণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে বৃক্ষ রোপণ পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের ময়লা ব্যবস্থাপনার একটি টেকসই সমাধান করার জন্য আমরা কাজ শুরু করেছি। এসব কাজে লিওরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও সহযোগিতা পেলে কাজগুলো সুদূরপ্রসারী হবে।