
বিরামপুর (দিনাজপুর) উপজেলা সংবাদদাতা:-
আজ বুধবার ৭ আগস্ট বিরামপুর থানা পুলিশের ব্যবহৃত একটি পিস্তল পরিত্যক্ত অবস্থায় জনৈক ব্যক্তি কুড়িয়ে পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আর পিস্তলটি ও ২৪ রাউন্ড গুলি হস্তান্তর করেন।
প্রকাশ,গত ৫ আগস্ট আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ দিকে বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা থানার প্রধান গেটে গেট দিয়ে আনন্দ মিছিল বের করলে বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুব্রত কুমার সরকারের নির্দেশে মিছিলে অতর্কিত রাবার বুলেট, টিয়ারসেল,গুলি, নিরীহ ছাত্র-জনতা মিছিলে চালালে বিক্ষিপ্ত জনতা বিরামপুর থানায় হামলা চালয় প্রাণভয়ে ওসি সুব্রত কুমার সরকার প্রায় ৩০ জন পুলিশ সদস্য জীবন রক্ষার্থে জনতার রোষানাল থেকে বাঁচার জন্য থানার পূর্ব দিকের গেটের দেয়াল টকিয়ে থানা থেকে পালিয়ে যায়। ওই সময় একটি পিস্তল ওয়ালের পাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে।
আজ বুধবার, জনৈক ব্যক্তি পরিতক্ত অবস্থায় পিস্তলটি কুড়িয়ে পায় পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুজহাত তাসমিন আওন এর বরাবরে একটি পিস্তল ২৪ রাউন্ড গুলি দুটি ম্যাগজিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হস্তান্তর করেন । এ সময় পরিত্যক্ত থানার এসে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুজহাত তাসমিন আওন থানা পরিদর্শনপূর্বক তার জিম্মায় অস্ত্রটি গ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উম্মে কুলসুম বানু, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা তাহেরা খাতুন, মুকুন্দপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, বিএনপি’র সাবেক ছাত্রনেতা হাসানুজ্জামান হাসান,সাংবাদিকগন আনসার ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায় গত ৫ আগস্ট হাসিনা সরকার পদত্যাগের পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ জনরসের ভয়ে থানা থেকে পালিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত বিরামপুর থানা টি অরক্ষিত অবস্থায় পুলিশ শূন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে। থানাটি দেখভাল করছেন বর্তমানে স্থানীয় জনতা ও গ্রাম্ পুলিশ ও আনসার ভিডিপি সদস্যগণ।