
(নাসিম আহমেদ শিমুল) কালিয়াকৈর, গাজীপুর প্রতিনিধি :
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২১মে রোজ মঙ্গলবার। সকাল ৮ থেকে শুরু করে ভোট গ্রহণ চলবে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত।
উপজেলা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তি পূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, ব্যালট বাক্স বিতরণ শেষ হয়েছে। এবার এই উপজেলায় মোট ভোটার ৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৭শত ৯৪ জন, মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১২৮ টি, বুথ রয়েছে ৯৩৯ টি, ভোটকেন্দ্রে সার্বিক নিরাপত্তার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। বিজিবি থাকবে তিন প্লাটুন, পুলিশ থাকবে ১২২৭ জন, আনসার থাকবে ১৮৯০ জন,ব্যাটেলিয়ান আনসার ১০জন । এছাড়াও সাদা পোশাকে ও বিভিন্ন পোশাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১০ জন। অবাদ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে সার্বিক কাজ করবেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।
উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে কালিয়াকৈর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের দু’জন। তার মধ্যে বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন সিকদার তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন,তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে যিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনিও আওয়ামীলীগের নেতা এবং বর্তমান কালিয়াকৈর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম আজাদ।তিনি মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।ইতোমধ্যেই দুই প্রার্থীই কালিয়াকৈর উপজেলার সকল গ্রাম ও মহল্লা চষে বেড়িয়েছেন। করেছেন গণসংযোগ, উঠান বৈঠক সহ পথসভা এবং মিছিল মিটিং ছাড়াও করেছেন বড় শোডাউন।আনারস প্রতীকের কামাল উদ্দিন সিকদার তিনি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি বলেছেন আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মী সহ সাধারণ ভোটার গণ আনারস প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকেই পুনরায় নির্বাচিত করবেন। অপরদিকে মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী সেলিম আজাদ তিনিও শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন,তার প্রতিদ্বন্দ্বী তিনিও আওয়ামীলীগের আমিও আওয়ামী লীগের সুতরাং সকল নেতাকর্মী উনার পক্ষে আছেন বলে যে প্রচারণা চালাচ্ছেন সেটি সঠিক নয় ,মূলত সাধারণ ভোটারগণ সহ এবারের উপজেলা নির্বাচনে ভোটারগণ মোটরসাইকেল প্রতীকে ভোট প্রদান করে তাকেই অর্থাৎ সেলিম আজাদকেই আগামী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অপরদিকে বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা ও ভোট বর্জন করায় এখানে জাতীয় পার্টি বা অন্য কোন দল প্রার্থী না দেয়ায় দু-একজন ভাইস চেয়ারম্যান প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া বাকি সবাই ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের নেতা-নেত্রী। তবে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ঘুরে জানা গেছে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে অনেকেরই মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।