
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার উত্তর মোহনপুর গ্রামের কাচা রাস্তা সংস্কার হয় না।
মোহনপুর থেকে কুচিয়ামারা, ঘোনা থেকে ধরাইল যাওয়ার একমাত্র পথটি হলো মোহনপুরের এই রাস্তা। দবিরগঞ্জ থেকে মোহনপুর প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তাটা কাঁচা, যেটা হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগের কারণ। এ রাস্তা পাকা না হওয়ায় শিক্ষার্থীসহ সাধারন মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে দিনের পর দিন।
বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে রাস্তায় বড় বড় গর্ত এবং কাদার সৃষ্টি হয়। যার ফলে স্বাভাবিকভাবেই চলাচলের আর কোন উপায় থাকে না।
এই এলাকায় উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে মৎস্য চাষ। প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ বিগা জমিতে মৎস্য চাষ করে এখানকার স্থানীয়রা।
কাদাময় রাস্তায় রাতদিন মাছ সরবরাহের গাড়ি চলাচল করলেও সংষ্কার হয়নি রাস্তাটা। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন গ্রামের মানুষ, প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজের অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করতে পারছে না শিক্ষার্থী সহ সাধারণ মানুষজন ।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে বাড়িতে থেকে বের হলেও কাদাময় রাস্তা হওয়ায় প্রতিষ্ঠান প্রর্যন্ত পৌঁছাতে পরছে না শিক্ষার্থীরা।
কাদাময় রাস্তায় পিছলে পড়ে যাওয়ার কারণে সময় মত বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে পরছে না কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত শুনা যাচ্ছে প্রতি বছর এই রাস্তা পাকা হয় ।স্থানীয়রা জানান,প্রতিবছর এই রাস্তার বাজেট আসলেও হচ্ছে না সংস্কার।
ভোট এলেই জনপ্রতিনিধিরা রাস্তা পাকা করার প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচিত হলে সব ভূলে যায় তারা।
নেতা আসে নেতা যায় কিন্তু এ রাস্তাটি পাকা হওয়ার খবর নাই।
জনপ্রতিনিধিরা পাল্টায় কিন্তু পাল্টায় না দুর্ভোগের চিত্র।
বর্ষার মৌসুমে এতটাই খারাপ হয় যে, রুগীরা ক্লিনিকে স্বাস্থ্য সেবা নিতে যেতে পারে না। গুরুতর অবস্থায় স্বাস্থ্যসেবা নেয়ার জন্য বের হলেও কাদাময় রাস্তার কারণে সময় মত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে না পৌছানোর কারণে মৃত্যু হয়েছে অনেকের।
বর্ষাকাল তো দূরের কথা দেখলে মনে হবে শুষ্ক মৌসুমে যেন পুকুর শুকিয়ে গেছে। বৃষ্টি হলে রাস্তায় পানি জমে থাকে, সিএনজি, ভ্যান কেউ চলাচল করতে পারে না। এমনকি হেটে চলাচল করাও দুষ্কর হয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর দাবি জনগণের দূর্ভোগ থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করে পাকা করার।