নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি-
সকল বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের চরপাড়া এলাকার নতুন রাস্তার মাটি ভরাটের কাজ পুনরায় শুরু করার অনুমতি দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এর আগে প্রায় ষাট শতাংশ কাজ শেষ হওয়ার পর, একদল মহল তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে অভিযোগটি উপজেলা প্রশাসন এর কাছে তদন্ত আসে। উপজেলা প্রশাসন এর তদন্তে অভিযোগের বিষয়টি ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।
সোনারগাঁ উপজেলা চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম ভূঁইয়া অভিযোগের বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে পুনরায় নতুন রাস্তার মাটি ভরাটের কাজ শুরু করার অনুমতি দিয়েছেন।
নোয়াগাঁও ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার নতুন রাস্তার মাটি ভরাটের কাজটি সম্পূর্ণ হলে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকার সকলের ২ কিলোমিটার পথ সাশ্রয় হবে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জায়েদা বেগম জানান , বিগত দিনে একদল কুচক্রী মহল অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য রাস্তার কাজ বন্ধ করে রাখার একটি লিখিত অভিযোগ করেছিল।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে থেকে অভিযোগটি ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়। পুনরায় দ্রুত সময়ের ভিতরে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা এসেছে উপজেলা প্রশাসন থেকে। এলাকার দালাল চক্রের সদস্যরা আমার বাড়িতে অবস্থান করে নতুন রাস্তার কাজ বন্ধ রাখার হুমকি দিয়ে আসেছিল। কিন্তু চরপাড়া এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি উক্ত রাস্তা জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে, রাস্তার কাজ সম্পন্ন করার জন্য সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছিলাম।
স্থানীয় এলাকার বাসি আব্দুল জলিল জানান, স্থানীয় সাবেক ইপি সদস্য মৃত সানাউল্লাহ ছেলারা রাস্তার কাজ বন্ধ রাখার জন্য বিভিন্ন পায়তারা করে বেড়াচ্ছে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সকলের চাওয়া এই রাস্তা। স্থানীয় জনসাধারণের কথা তারা মানতে রাজি নয়। তারা সক্রিয়ভাবে রাস্তার কাজে বার বার বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
৫নং ওয়ার্ডের চড়পাড়া এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, রাস্তাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, রাস্তাটি হলে এলাকাবাসীর চলাচলে পথ অনেকটা সহজ হবে।
অভিযোগকারীর পক্ষে, সাবেক ইউপি সদস্য সানাউল্লাহ মেম্বারের পুত্র আমানুল্লাহ জানান, রাস্তার বরাদ্দ এসেছে ১০ ফুট , দুইপাশের যাদের জমি রয়েছে প্রত্যেকের উপর দিয়ে সমান সমান ভাগে রাস্তা হওয়ার কথা। কিন্তুু আমাদের জমির উপর রাস্তার নির্মাণের পরিমান বেশি হওয়ায়,আমরা রাস্তা নির্মাণের কাজে পুনরায় বাধা দিব। আমাদের জমিরউপর দিয়ে একা রাস্তা দিব না, রাস্তা করার জন্য যে মাটি প্রয়োজন তাও দিবোনা।
