
মানিক হোসেন, ইবি:
২০২৪ সালে তৃতীয় স্বাধীনতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। প্রথম স্বাধীনতা অর্জন হয়েছিল ১৯৭১ সালে যার অগ্রনায়ক ছিলেন শহীদ জিয়াউর রহমান। দ্বিতীয় স্বাধীনতা ১৯৭৫ সালে ৭ই নভেম্বর হয়েছিল সেটাও জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে। এই তিন স্বাধীনতায় নেতৃত্ব দিয়েছে জাতীয়তাবাদী দল, ছাত্রদল। সর্বশেষ স্বাধীনতায় ৪২৬ জন ছাত্রদল ও জাতীয়তাবাদের সমর্থক রক্ত দিয়েছে। তাহলে এ অর্জন আমাদেরই।
বৃহস্পতিবার (০৭ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে একটি দাবি আগামী ছয় মাসের মধ্য অবশ্যই এখানে দৃশ্যমান একটি শহীদ জিয়া কমপ্লেক্স তৈরি করতে হবে। এই প্রশাসন যদি না করে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কিভাবে করানো হয় তা ভালোমতই জানি। তিনি আরো বলেন শিক্ষকরা অবশ্যই ছাত্রদলের সামনে আছেন, পিছনে না।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষে বেলা সাড়ে ১১ টায় অনুষদ ভবনের সামনে থেকে র্যালি বের করে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব এবং শাখা ছাত্রদল। র্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এসময় জিয়া পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফেসর ড. নুরুন নাহারের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক ড. আলীনূর রহমান, ইউট্যাবের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. ইদ্রীস আলী, কেন্দ্রীয় জিয়া পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব ড. ওলিউর রহমান পিকুল, জিয়া পরিষদের কর্মকর্তা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদ গোলাম মাহফুজ মঞ্জু, ছাত্রদলের আহবায়ক সাহেদ আহম্মেদ ও সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউট্যাব, জিয়া পরিষদের শিক্ষক-কর্মকর্তাসহ ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার পারভেজ, আহসান হাবীব, আনারুল ইসলাম, রোকন উদ্দিন, সদস্য রাফিজ আহমেদ, নুর উদ্দিন, তরিকুল ইসলাম সৌরভসহ শতাধিক শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রাশেদুজ্জামান।
