
চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি :
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ কামরুল হুদার বিরুদ্ধে মনোনয়ন হলফনামায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠন, সরকারি গ্যাস চুরি এবং একাধিক চলমান মামলা থাকা সত্ত্বেও এসব তথ্য তিনি দাখিলকৃত হলফনামায় উল্লেখ করেননি। তার যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেড-এর বিরুদ্ধে চার দফায় গ্যাস মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে প্রায় ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার সরকারি গ্যাস আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় চৌদ্দগ্রামের কনকাপৈত ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ মনির হোসেন এ অভিযোগ করেন। তিনি জানান, কামরুল হুদার বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানাসহ একাধিক মামলার তথ্যও হলফনামায় গোপন করা হয়েছে।
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল) সূত্রে জানা যায়, মিটার টেম্পারিংয়ের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বিপুল অঙ্কের বকেয়া নির্ধারণ করা হয়, যা এখনো পরিশোধ হয়নি। বিষয়টি বর্তমানে আপিল বিভাগে বিচারাধীন।
এ বিষয়ে কামরুল হুদা বলেন, “বিষয়টি বিচারাধীন। আমার কাছে সরকার কোনো টাকা পাবে না।”
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও সরকারি হিসাব অনুযায়ী উক্ত অর্থ এখনো রাষ্ট্রের পাওনা হিসেবেই বিবেচিত।