
গফরগাঁও(ময়মনসিংহ)প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী আবুল হোসেন দীপু ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় প্রতিপক্ষের নির্বাচনী অফিস বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর,লুটপাটের অভিযোগে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীকের প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন বাদল সংবাদ সম্মেলন করেন।
সোমবার বিকালে গফরগাঁও প্রেসক্লাবের শামসুল হক মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে আশরাফ উদ্দিন বাদল বলেন, আমার কর্মী সমর্থকরা গফরগাঁও উপজেলাধীন উস্থি ইউনয়নের কান্দিপাড়া বাজারে নির্বাচনী প্রচারণাকালীন ঘোড়া মার্কার প্রার্থী আবুল হোসেন দীপুর উপস্থিতিতে চৌরাস্তা মোড়ে হামলা চালায় এবং গুলি করে এতে আমার অনেক নেতাকর্মী আহত হয়। আমার কর্মী সমর্থকেরা আনারস প্রতিকের প্রচারণার সময় বিভিন্ন জায়গায় ঘোড়া প্রতিকের প্রার্থী আবুল হোসেন দীপুর সমর্থকেরা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালায়। গত ০২ জুন রোববার উপজেলার নিগুয়ারী ইউনিয়নের বিশারটেক বাজার, পাইথল ইউনিয়নের গয়েশপুর বাজার সংলগ্ন বড়বড়াই বাজার ও টাংগাব ইউনিয়নের বারইহাটি বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকের দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার আনারস প্রতিকের নির্বাচনী অফিস ও কর্মী সমর্থকদের দোকানে হামলা, ভাংচুর এবং লুটপাট করে। এসময় জনমনে আতঙ্ক সৃস্টি করতে প্রকাশ্যে গুলি করে ঘোড়া প্রতিকের সমর্থকরা। এঘটনায় নিগুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ তাজুল ইসলাম মৃধা এবং গয়েশপুর গ্রামের ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম সেলিম বাদি হয়ে চিহ্নিত ৫১ জন ও অজ্ঞাত ৫০ জনের নামে পাগলা থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
তিনি আরও বলেন, আমি জনগণের রায়ে বিশ্বাসী, অত্র উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে আমি সেই রায় মেনে নিবো।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পৌর যুবলীগের আহŸায়ক মাহমুদ হাসান সজিব, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম মন্ডলসহ আওয়ামী লীগ ও সংযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
পাগলা থানার ওসি খায়রুল বাশার বলেন, প্রতিপক্ষের নির্বাচনী অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুরের দুটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।