
টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি
রাহিদ রানা
‘ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও মধুপুরে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে পৃথকভাবে বর্ণাঢ্য র্যালি, দুর্যোগ মোকাবিলাবিষয়ক মহড়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ঘাটাইল: দিবসটি উপলক্ষে ঘাটাইলে সরকারি জিবিজি কলেজ মাঠে দুর্যোগ মোকাবিলাবিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। মহড়াটি পরিচালনা করেন ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর রতন কুমার দেবনাথ। পরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান আজাদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরী তাসমিন উর্মি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তোফাজ্জল হক সেন্টু, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক মেয়র মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন ধলা এবং বিআরডিবির চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
মধুপুর: দিবসটি উপলক্ষে মধুপুর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে সকালে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে আলোচনা সভা ও দুর্যোগ মোকাবিলাবিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. বোরহান উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজিব আল রানা, প্রকৌশলী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, জনস্বার্থ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন, প্রতিবন্ধীবিষয়ক কর্মকর্তা মোসলিমা, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা বিলকিস আক্তার, বিআরডিবি কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মনি এবং একাডেমিক সুপারভাইজার মহিউদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ এবং দুর্যোগকালীন সময়ে করণীয় সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের সর্বস্তরে সচেতনতা বাড়ানো এবং সম্মিলিত প্রস্তুতি জোরদারের আহ্বান জানানো হয়।