
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:-চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদহ ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ১৩ বছরের নাবালিকা প্রেমিকা অবস্থান নিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকালে। এ নিয়ে ওই গ্রামে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, ছাতিয়ানতলা গ্রামের নাবালিকার (১৩) সাথে একই গ্রামের মহাসিনের ছেলে মারিফুলের (২০) গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর আগে ভালোবাসার এক পর্যায়ে বিয়ের স্বপ্নে বিভোর হয়ে প্রেমিক মারিফুল ফুঁসলিয়ে নাবালিকা প্রেমিকাকে তার পিতার বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করে। পরবর্তীতে নাবালিকা প্রেমিকার পিতা আইনের দ্বারস্থ হয়ে তাকে বাড়ি ফিরিয়ে আনে। এতকিছুর পরও আবারো মারিফুল নাবালিকাকে গোপনে মোবাইল কিনে দিয়ে যোগাযোগ অব্যাহত রাখে। যোগাযোগের এক পর্যায়ে শনিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে আবারো মারিফুল ওই নাবালিকাকে তার বাড়িতে ডেকে আনে। নাবালিকা মারিফুলের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে বিয়ের দাবি তোলে। ঘটনাটি গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে মারিফুলের বাড়িতে এলাকাবাসী ভীড় জমায়। এ সময় অনেকে মারিফুলকে দোষারোপ করতে থাকে।নাবালিকা জানায়, যে কোনো মূল্যে মারিফুলকে সে বিয়ে করতে চায়। প্রয়োজনে ভিক্ষা করে হলেও তাকে স্বামী বানাতে চায়। নাবালিকা আরও জানিয়েছে, মারিফুলের সাথে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। মারিফুল আমাকে ডেকেছে বলেই আমি তার কাছে চলে এসেছি।
এ বিষয়ে মারিফুলের পিতা মহাসিন জানান, ওই নাবালিকা নিজেই আমার বাড়িতে চলে এসেছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মেয়েটির পিতা বড়লোক। এ জন্য মারিফুল তাকে প্রেমের ফাঁদে ফুঁসলিয়ে বার বার ঘর থেকে বের করে তার পিতার সম্মান নষ্ট করছে।
এ বিষয়ে নাবালিকার পিতার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সাখাওয়াৎ হোসেন জানান, মেয়েটিকে পুলিশের মাধ্যমে তার পিতা তাকে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। স্থানীয়রা অনেকে বখাটে প্রেমিক মারিফুলের শাস্তি দাবি করছে।ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি হুমায়ুন কবীর বলেন, মেয়ের পিতা থানায় অভিযোগ করেছিলেন। পরবর্তীতে পুলিশের সহযোগিতায় মেয়েকে উদ্ধার করে অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।