
মো জুয়েল মৃধা
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
সংবাদ সম্মেলনে ৫৩ বছর বয়সী মাহমুদা বেগম বলেন মোঃ আল আসাদের সাথে ১৯৯৮ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারী বিবাহ হয়। আমার এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তান আছে। কন্যা মেহেলী আফরোজ সুপ্তি ইংরেজিতে অনার্স পরীক্ষা শেষ করেছে এই বছর। পুত্র মোহাম্মদ ইয়াসির আল ফাইজান তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।
বিয়ের সময় আমার স্বামী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে উন্নয়ন খাতে অবৈতনিক কম্পিউটার অপারেটর কাম টাইপিস্ট পদে কর্মরত থাকায় সংসারের প্রয়োজনীয় খরচ চালানো তার পক্ষে সম্ভব ছিল না তদুপরি আমি আমার পিতা অত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে ধার দেনা করে, খেয়ে না খেয়ে, অতি কষ্টে সংসার যাপন করছি।
পরবর্তীতে ২০১০-১১ সালে আমার স্বামী মোঃ আল আসাদ এর চাকুরী রাজস্ব খাতে অর্ন্তর্ভুক্ত হলে কষ্টের দিন শেষ হবে ভেবে স্বপ্ন দেখি। কিন্তু স্বপ্ন অল্প দিনের মধ্যেই দুঃস্বপ্নে পরিনত হতে থাকে রাজস্ব খাতে চাকুরী হওয়ার পর এককালীন যে বেতন পেয়েছিল তার সাথে আমার ব্যক্তগত প্রায় ১ ভরি স্বর্ণ-অলংকারের বিক্রির টাকা যোগ করে পরিবারের মাথা গোজার জন্য যৌথ ভাবে জমি কেনা কথা থাকলেও আমাকে বাদ দিয়ে শুধু মাত্র আমার স্বামীর নামে দলিল রেজিঃ করা হয়।
চাকুরী স্থায়ী হবার পর থেকে সংসার থেকে সে বিচ্ছিন্ন হয়ে দূরে চলে যায় আমারও আমার সন্তানদের সমস্ত ভরণ পোষণ দেওয়া বন্ধ করে দেয় ও আমিও আমার সন্তানদেরকে বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার নির্যাতন করে প্রতিনিয়ত বহুবার আমাকে মেরে রক্তাক্ত করেছে আহত জখম করেছে কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা করেনি, আমি বাধ্য হয়ে তার বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা দায়ের করেছি কিন্তু তার ভাড়াটে গুন্ডাদের ভয়ে আমি কোর্টে যেতে পারি না এবং দুটি সন্তান নিয়ে খুব কষ্টে দিন যাপন করছি, এবং সেই ও বলেছে আমারও আমার সন্তানদের প্রতি তার কোন দায়িত্ব বা কর্তব্য নেই বলেছে আমাকে তালাক দিয়েছে এবং বর্তমানে সে অন্য নারীর প্রতি আসক্ত ও দ্বিতীয় বিয়ে করার প্রচেষ্টা করছে এ অবস্থায় আমার ছেলে মেয়ে দুটিকে নিয়ে আমি খুব কষ্টে দিন যাপন করছি ও যতদূর শুনেছি তিনি খুব দ্রুত অবসরে যাচ্ছেন তাই গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আমার আকুল আবেদন আমার এই কষ্টের কথা আপনারা তুলে ধরুন বর্তমান সরকার ও প্রশাসনের সকল শ্রেণীর কর্মকর্তাদের প্রতি আমার আকুল আবেদন আমার মেধাবী দুটি সন্তান যেন তাদের ভবিষ্যৎ গড়তে পারে ও আমরা স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করতে পারি তার পেনশনের অর্থ থেকে আমি ও আমার সন্তানরা যেন ন্যায্য অধিকার পাই।