
একে আজাদ রাণীশংকৈল প্রতিনিধি
পৌষের শুরুতে উত্তর জনপদে শীতের প্রকট আকার ধারণ করেছে। ঠাকুরগাঁও জেলার পাঁচটি উপজেলার মধ্যে রানীশংকৈল উপজেলা মধ্যবর্তী হয়াই. এর উত্তর পূর্ব দিকে ভারত সীমান্ত ঘেঁষে হিমালয় পর্বত. তাই এই অঞ্চলে আগাম শীতের আগমনী বার্তায় এলাকায় করা নারে শীত।
জানা যায় প্রতি শীত মৌসুমে এ অঞ্চলের শীতের প্রচন্ড দাপটে প্রকৃতি মানব কল যুবুথুবু অবস্থায় বিরাজ করছে। তেমনি অপরদিকে কাক ডাকা ভোর সকালে ও সূর্য অস্তের পরে চারিদিকে কুয়াশার চাদরে প্রকৃতি ঢাকা বিন্দুমাত্র রাস্তায় চলাচলে কোন কিছু চোখে দেখা যায় না। যানবাহন গুলোর লাইটগুলো যেন জোনাকির মিটি মিটি আলোর মত দেখা যায় . এরই মধ্যে প্রকৃতিকে ভেদ করে দিনে কিংবা রাতে রাস্তা চলাচলে মানুষ ও যানবাহন অতি সাবধানতার সাথে ড্রাইভাররা হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাফেরা করতে দেখা গেছে। এদিকে শীতের প্রকট ধারণ করায় শিশু ও বৃদ্ধরাা বিভিন্ন রোগে হাসপাতালগুলোতে ভিড় জমিয়েছে। এ বিষয়ে রাণীশংকর হাসপাতালের আর এম ও ডাক্তার ফিরোজ আলম এ প্রতিনিধি কে বলেন. প্রতিশীত মৌসুমে নানা বয়সী রোগীরা সর্দি কাশি ডায়রিয়া নিউমুনিয়া সহ শীর্জনিত রোগে বিভিন্ন এলাকা থেকে আক্রান্ত হয়ে রাণীশংকৈলের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভর্তি হচ্ছেন। তাই ডাক্তার ফিরোজ আলম বলেন. এ সময় শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সকলকে সতর্কতার সহিত শীত অতিবাহিত করতে হবে. নতুবা কোনো কারণে একটু শীতর্ষনিত রোগে আক্রান্ত হলে নানা দুর্ভোগের শিকার হতে হবে। তাই সকলকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
এদিকে পৌষ পড়ার সাথে সাথে শীতের প্রকট আকার ধারণ করেছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষরা কাজের সন্ধানে ঘর থেকে বের হতে পারছে না। ফলে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।
এ সময় আমাদের অঞ্চলে নতুন ধানের নবান্ন উৎসব চলে ঘরে ঘরে. রকমারি পিঠে পুলির বানানোর ও খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। এবং কি আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে পাঠানো হয়. এটা আমাদের ঐতিহ্যের কৃষ্টি কালচার।
এ অঞ্চলের বিশ্বরোড গুলো কাক ডাকা ভোরে কুয়াশার চাদরে প্রকৃতি ভিন্ন রূপে সেজেছে এরই মধ্যে পথচারী ও খেজুরেররস সংগ্রহকারী ও তালের রস সংগ্রহকারী মানুষদের বিভিন্ন বাগান থেকে সংগ্রহ করেনআনতে দেখা যায় শহরগুলোতে।
আবার কেউ সংগ্রহ করে খেজুরের গু ও নানা রকমের পিঠাপুলি তৈরি করতে ব্যস্ত থাকেন। এ জেন পৌষ পাবনে পিঠে খেতে বসে খুশিতে ভীষণ খেয়ে…