
ভোরের বাংলা নিউজ প্রতিবেদক
বর্ষাকালের শেষে কার্তিক মাসের শুরুর দিকে অগ্রহায়ণ, পৌষ মাসে হাওর অঞ্চলসহ বিভিন্ন নদনদী, খাল বিলে পানি কমে যাওয়ায় এ সময়টাকে মাছ আহরণের মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। সিলেট, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন, খালিয়াজুড়িসহ বিভিন্ন হাওর অঞ্চলে মাছ ধরার বেশ ব্যস্ততা থাকে। সেসব এলাকার খাল বিল, নদী থেকে দেশীয় মাছ ধরার মৌসুম চলে। এসব মাছ বিক্রি করতে নদী ও সড়ক পথে প্রতিদিন বিকেল থেকে শুরু করে মাঝরাত অবধি নৌকা ও গাড়িযোগে ভৈরবের পুলতাকান্দা নৈশ্যকালীন মৎস্য আড়তে আসনে বিক্রেতারা। সেসব মাছ বিক্রি চলে মাঝ রাত পর্যন্ত।
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মৎস্য আড়তে মৌসুমের শুরুতেই হাওর এলাকা থেকে দেশি প্রজাতির বিভিন্ন মাছ আসছে। এখানকার মাছ বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ হচ্ছে। তবে দাম কিছুটা চড়া। । নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মাছের দামও।
মাছ কিনতে স্থানীয় ও ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গার পাইকাররা ভিড় করছেন আড়তর মিঠাপানির দেশীয় প্রজাতির রুই, কাতল, বোয়াল, আইড়, বাইম, বেলে, সরপুঁটি, টেংরা মাছ সহ ছোট বড় বাহারি মাছ বিক্রির জন্য ঢালায় সাজিয়ে রাখা হয়েছে। তবে আড়তে পুকুরের চাষকৃত রুই, কাতলা, টেংরা, চিংড়ি, শিং,কই মাছেরও বেশ আমদানি রয়েছে। তবে স্থানীয় ক্রেতারা বলছেন সবকিছুর দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাছের দামও খুব