
টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি
রাহিদ রানা
কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, দেশের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান। ফোরলেন রাস্তা দৃশ্যমান। পদ্মা সেতু দৃশ্যমান। রৃপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কর্ণফুলী টানেল, পায়রা বন্দর দৃশ্যমান। বিদ্যুৎ দিয়েছি ঘরে ঘরে, শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। কৃষি স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন উন্নয়ন হয়েছে এবার সরকারের লক্ষ্য হলো বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
সোমবার বিকেলে পঞ্চম বারের মতো আওয়ামী লীগের টিকেট নিয়ে জয় লাভের পর টাঙ্গাইলের মধুপুরে দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মধুপুর-ধনবাড়ী উপজেলার গণমানুষের ভালোবাসা সারাজীবন মনে থাকবে। আমার পরিবারের সদস্যরা যতদিন বেঁচে থাকবে, ততদিন তারা কৃতজ্ঞ চিত্তে মনে রাখবে। মধুপুর ধনবাড়ী হবে শান্তির। সকলে মিলে মিশে আধুনিক মধুপুর ধনবাড়ী গড়তে চাই। গারো কোচ হিন্দু বৌদ্ধসহ সকলে মিলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বসবাস করবো। এ দেশ সবার। সবাই আমাকে ভোট দিয়েছে। এ সময় তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানান।
এর আগে বেলা ১১ টায় টাঙ্গাইলের মধুপুর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে দলের নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে দুপুরে মধুপুর বাসস্ট্যান্ড চত্বরে পৌঁছালে দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী তাকে ফুল ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইয়াকুব আলী, মধুপুর পৌরসভার মেয়র ছিদ্দিক হোসেন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি, সাদিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, হেলাল উদ্দিনসহ উপজেলা আওয়ামী, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারসহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসন থেকে নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হয়ে ১ লাখ ৭৪ হাজার ১২২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আনোয়ারুল হক পান ৪১৭৮ ভোট। এ নিয়ে তিনি পঞ্চম বার এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।