
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি : বেনাপোল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থেকে ‘ভারত যাওয়ার সময়’ গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবুদ্দিন আজম(৫২) আটক হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জুন-২৫) বেলা ১১.৩০ টায় মেডিক্যাল ভিসায় স্ত্রীর সহিত চিকিৎসার লক্ষ্যে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনের ডেস্কে তার পাসপোর্ট নম্বর (বি০০০৭৩৯৪৮) জমা দিলে কার্যক্রম চলাকালে সার্ভারে তা ‘স্টপলিস্ট’ অবস্থায় থাকায় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে সনাক্ত করে আটক করে।
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে, জিএম সাহাবুদ্দিন আজমের বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
ইমিেেগ্রশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রাবাড়ী থানায় দায়েরকৃত মামলা (মামলা নম্বর- ৫২, তারিখ- ২০/০৯/২০২৪), যার আওতায় দন্ডবিধির ৩০২/১১৪/১০৯ ধারা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, গোপালগঞ্জ সদর থানায় দায়েরকৃত অন্য একটি মামলা (মামলা নম্বর- ২৪, তারিখ- ১৭/০৯/২০২৪), যেখানে তার বিরুদ্ধে ১৪৭/১৪৮/১৪৯/৩৩১/৩০২/১০৯/১০৪ ধারা অনুযায়ী অভিযোগ আনা হয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইলিয়াস হোসেন মুন্সি জানান, পূর্ব থেকে খবর ছিলো গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা জিএম সাহাবুদ্দিন আজম ভারতে যেতে পারে। এজন্য আগেই তার নাম ইমিগ্রেশন ‘স্টপলিস্ট’-এ অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছিল।
অবশেষে, তাকে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আটক পূর্বক ইমিগ্রেশন পুলিশের হেফাজতে রেখে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে আদেশ মোতাবেক বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাসেল মিয়া জানিয়েছেন, আটককৃত গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা জিএম সাহাবুদ্দিন আজমের বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। পরবর্তীতে আবশ্যিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি স্থানীয় অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।