
মাইনুল ইসলাম জনি, নীলফামারী:
পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার ঘটনায় নারী-পুরুষসহ ৩৪জনকে গ্রেপ্তার করেছে নীলফামারী থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন হলেন, জেলার ডিমলা উপজেলার দোহলপাড়া গ্রামের আব্দুস সামাতের ছেলে আবু সাঈদ(৩০), ছাতনাই কলোনী মিয়াপাড়া এলাকার মৃত আক্তার উদ্দিনের ছেলে শফিকুল ইসলাম ওরফে লেবু (৪৫), একই এলাকার সমশের আলীর ছেলে মোঃ নুরুজ্জামান(৫০), মোজাম্মেল হকের ছেলে মোঃ আফজাল হোসেন (৪৫), খগখড়িবাড়ী,নতুন বাড়ী এলাকার মকলেছার রহমানের ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম(৩২), পূর্ব ছাতনাই ওমরপাড়া এলাকার গোলজার রহমানের ছেলে হৃদয় ইসলাম(২২), সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী কাঙ্গালপাড়া এলাকার ফজলুল হক(বেলাল হোসেন) এর মেয়ে সাকিরা (২০), ডিমলা উপজেলার দোহলপাড়া এলাকার গোলজার হোসেনের ছেলে মিরাজ ইসলাম (১৮), একই উপজেলার ওমরপাড়া এলাকার আমিনুর রহমানের ছেলে মিলন ইসলাম (১৯), একই এলাকার রহিম ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম (১৯), আলিউর রহমানের ছেলে মোঃ নাঈম ইসলাম, বন্দর খড়িবাড়ী এলাকার শ্যামল দেবনাথের ছেলে সাগর দেবনাথ (২২), একই এলাকার নুর ইসলামের ছেলে মশিউর রহমান (৩৬), রফিকুল ইসলামের ছেলে নাইমুল ইসলাম (২২), একই উপজেলার ছাতনাই কলোনী এলাকাত নুর ইসলামের ছেলে সামিনুর ইসলাম (৪৫), রফিকুল ইসলামের ছেলে আঃ সালাম (২৫), দোহলপাড়া এলাকার আশিকুল ইসলামের স্ত্রী মঞ্জুয়ারা বেগম (৪০), বন্দর খড়িবাড়ী এলাকার ওমর ফারুকের ছেলে লিপন ইসলাম(১৯), টিএনটি রোড এলাকার আব্দুল কাদেরের ছেলে মিম হোসেন(২০), ওমরপাড়া পূর্বছাতনাই কলোনী এলাকার আক্তারুল ইসলামের ছেলে শুভ ইসলাম(১৯), দোহলপাড়া এলাকার আব্দুল গনির ছেলে আশিকুল ইসলাম (৩৫), আব্দুল করিমের ছেলে গুলজার রহমান (৪৫), খগা খড়িবাড়ী এলাকার মৃত মনসুর আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম (৪৫), মৃত কাল্টু মোহাম্মদের ছেলে আলাউদ্দিন (৫০), ডংগর বাজার খগা খড়িবাড়ী এলাকার মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে মাহফুজার রহমান (১৯), ডংগর বাজার খগা খড়িবাড়ী এলাকার মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে সোহেল (২১), বন্দর খড়িবাড়ি এলাকার আমিনুল ইসলামের ছেলে আনোয়ার হোসেন(১৯), মৃত ভাটি মামুদের ছেলে ইসলাম (৬৫), মৃত মফিজার রহমানের ছেলে সাগর রহমান (২৩), ডংগর বাজার, রফিকুল ইসলামের ছেলে কবিরুল ইসলাম (২৫), খগা খড়িবাড়ী এলাকার নুর মোহাম্মদের ছেলে মহিকুল ইসলাম (২৫), বন্দর বাজার ডংগর খড়িবাড়ি এলাকার মৃত মফিজার রহমানের স্ত্রী নুরবান (৫০), খগা খড়িবাড়ী চাবুলের পাড়া এলাকার মহিবুলের স্ত্রী দুলালী বেগম (৩৫) এবং দোহল পাড়া এলাকার আশিকুল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ রিমু (৩৫)।
পুলিশের সুত্র বলছে, গেল ৩ অক্টোবর বিকেলে জেলার ডিমলা থানার তদন্তে প্রাপ্ত ও গ্রেপ্তারকৃত মাদক মামলার আসামী ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ী এলাকার নুরুল ইসলাম মেম্বারের ছেলে সুজনকে জেলা গোয়েন্দা শাখা হতে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময়ে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের এর মূল ফটকের সামনে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একই উদ্দেশ্যে বে-আইনী সমাবেশে দলবদ্ধ হয়ে গ্রেপ্তারকৃত আসামী স্কটপার্টির পথরোধ করে মাদক ব্যবসায়ী সুজন ইসলামকে ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত পুলিশের কাজে বাধা দেয়। তারা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টিকরে এবং পুলিশ সদস্যদের উপর আক্রমণ করে গ্রেফতারকৃত আসামীকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
সুত্র আরোও জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা বে-আইনী সমাবেশে দলবদ্ধ হয়ে আসামী স্কটপার্টির পথরোধ পূর্বক মাদক ব্যবসায়ী সুজন ইসলামকে ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা প্রদান করে এবং পুলিশ সদস্যদের সাথে অশোভন আচরণ ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টিকরে এবং পুলিশ সদস্যদের উপর আক্রমণ করে আসামী ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টাকালে ২০ জন কে আটক পূর্বক তাদেরসহ অজ্ঞাতনামা ২০০-৩০০ জনের বিরুদ্ধে নীলফামারী সদর থানার মামলা নং-০৮ তারিখ: ০৩ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিঃ জিআর নম্বর-৩৯৫/২৬ ধারা: ১৪৩/৩৪১/১৮৬/৩৫৩/১২০-খ/১১৪/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
পরবর্তীতে ঘটনার ভিডিও ও স্থিরচিত্র বিশ্লেষণ করে ঘটনার সাথে জড়িতদের মধ্য থেকে আরও ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জিল্লুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।