
জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার রামতনু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন নির্মাণে নিন্ম মানের ইট, বালু ও খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী নির্মাণাধীন ইটের দেওয়াল ও ইট ভেঙে ফেলেছে। স্থানীয়দের দাবি দ্রæত নিন্মমানের সামগ্রী অপসারণ করে ভালো মানের ইট, বালু ও খোয়া ব্যবহার করতে হবে। সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের নিন্মমানের সামগ্রী দ্বারা কাজ প্রায় ৬৫% পরিমান হয়েছে। এত পরিমান কাজ হলেও সেখানে সাইনবোর্ড দেখা যায়নি। এক পর্যায়ে এলাকাবাসী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ক্ষিপ্ত হয়ে নির্মাণাধীন বিদ্যালয়ের দেওয়াল ভেঙে ফেলে। স্থানীয়দের তোপের মুখে কাজ বন্ধ রাখেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সাবেক শিক্ষার্থী রিফাত হোসেন বলেন, বিদ্যালয়টির ভবন নিন্মমানের ইট বালু ও খোয়া দিয়ে কাজ করেছে। প্রধান শিক্ষক ও ঠিকাদারকে বলেও না শোনায় এলাকাবাসী মিলে নিন্মমানের ইট দিয়ে তৈরী দেওয়াল ভেঙে দিয়েছি। শহীদ হোসেন নামের একজন অভিভাবক বলেন, নিন্মমানের সামগ্রী দিয়ে স্কুল নির্মাণ হলে ভবিষ্যতে কোমলমতি শিশুদের জন্য হুমকির কারন হবে। প্রধান শিক্ষককে বলে তবুও অনিয়ম দূর্নীতি বন্ধ হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার সবুর হোসেন বলেন, নিন্মমানের ইট দিয়ে ভবন নির্মাণ হচ্ছিল এলাকাবাসী বলায় কাজ বন্ধ রেখেছি। এসব ইট অপসারণ করে নতুন ইট দিয়ে কাজ করব। প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, আমার বিরুদ্ধে এলাকাবাসী যে অভিযোগ করেছে তা সঠিক নয়। স্কুল বন্ধ ছিল সেই সুযোগে ঠিকাদারের লোকজন হয়তবা এমন কাজ করেছে। পাঁচবিবি প্রকৌশলী অফিসের সহকারি প্রকৌশলী সনজিদ কুমার রায় বলেন, কাজের অনিয়ম থাকলে কাজ বন্ধ রাখা হবে। সরকারী কাজের সাইনবোর্ড থাকে এখানে নেই কেন এমন প্রশ্নের সঠিক উত্তর তিনি দিতে পারে নাই। পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী আফিসার আরিফা সুলতানা বলেন, ইতিমধ্যেই বিষয়টির খোজখবর নিতে উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করেছি।