
নোয়াখালী সংবাদদাতা
সোনাইমুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মো: বখতিয়ার উদ্দিন এর নেতৃত্বে এসআই(নিরস্ত্র) গিয়াস উদ্দিন, এএসআই ইব্রাহিম ভুইয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সাতক্ষীরা মডেল থানা পুলিশের সহযোগীতায় সাতক্ষীরা শহরের সীমান্ত হোটেল হতে সোনাইমুড়ী থানায় রুজুকৃত যৌতুকের জন্য হত্যা মামলার মূল আসামী মোঃ আবু ইউসুফ (২২), পিতা-মাওলানা মোঃ আবু মুছা, মাতা- কোহিনুর আক্তার, সাং- নবীপুর (আনু মেম্বারের বাড়ী), থানা-মুরাদনগর, জেলা-কুমিল্লাকে গ্রেফতার করে।
উল্লেখ্য যে, গত ০১/১০/২০২৩ ইং তারিখ সকাল অনুমান ০৯.০০ ঘটিকার সময় উল্লেখিত গ্রেফতারকৃত আসামী বিদেশে যাবে বলে ভিকটিম সুমির নিকট ১,০০,০০০/-(এক লক্ষ) টাকা যৌতুক হিসেবে দাবী করলে ভিকটিম আসামী কর্তৃক দাবীকৃত যৌতুকের টাকা দিতে পারবে না বললে এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রচন্ড তর্কবির্তক ও বাকবিতন্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আসামী ভিকটিমের নাকে মুখে ২ টি থাপ্পর মারলে ভিকটিমের নাক মুখ দিয়ে প্রচন্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তখন তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা আরো তীব্র হইলে একপর্যায়ে আসামী হত্যার উদ্দেশ্যে ভিকটিমের গলায় থাকা ওড়না পিছন দিয়ে শক্তভাবে ধরে রেখে অনুমান ০১ মিনিট শ্বাসরোধ করে ফ্লোরে ফেলে দিলে তখন ভিকটিম ছটফট করতে করতে মৃত্যুরকোলে ঢলে পড়ে। ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত করে আসামী বাসার বাইরের গেইট লাগিয়ে ঢাকায় চলে যায়। ঢাকায় ০১ দিন থাকার পর পর দিন অর্থাৎ গত ০২/১০/২০২৩ ইং তারিখ সকাল ১০.৩০ ঘটিকার সময় পুনরায় আসামী আবু ইউসুফ ঘটনাস্থলে আসে এবং ভাড়া বাসার ভিতরে প্রবেশ করে ভিকটিমের লাশ গোপন করার জন্য টেনে হিচড়ে বাথরুমের ভিতরে নিয়ে রাখে। অতঃপর সে বাথরুমের দরজা আটকাইয়া, বাসা ও বাসার গেইট তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে সে ভিকটিমের লাশ গোপন করার পর সোনাইমুড়ী থেকে ঢাকা হয়ে সাতক্ষীরা তাহার পূর্ব-পরিচিত খাদিজা এর কাছে চলে যায়। কিন্তু সে তাহার পূর্ব-পরিচিত খাদিজার কাছে না গিয়ে গ্রেফতার এড়ানোর জন্য সাতক্ষীরার স্থানীয় সীমান্ত হোটেলে ০১ রাত অবস্থান করে। কিন্তু পরবর্তীতে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ও সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের সহায়তায় *মামলা রুজুর হওয়ার ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই* উক্ত আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
আসামী আবু ইউসুফ একজন পেশাদার চোর। বিভিন্ন মসজিদ থেকে মুসল্লিদের মোবাইল ফোন চুরি করা তার পেশা ও নেশা। উক্ত আসামীর হেফাজত হইতে মোট ০৯ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।