
জবি প্রতিনিধি :
দেশজুড়ে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, হামলা, গুম, নির্যাতন, শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায়ের অপচেষ্টা অভিযানের নামে বসতবাড়ি ভাঙচুর, আত্মীয়স্বজনদের গ্রেফতার ও নির্যাতনের প্রতিবাদে র্যালি করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।
৪৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার(১লা জানুয়ারি) সকাল ৯ টায় পুরান ঢাকার জজকোর্ট সংলগ্ন জনসন রোডে প্রতিবাদ র্যালি করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল। জবি ছাত্রদলের সভাপতি আসাদুজ্জামান আসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লার নেতৃত্বে প্রতিবাদ র্যালিটি করা হয়।
র্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান আসলাম বলেন, ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বিএনপির ভ্যানগার্ড ক্ষ্যাত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এখন সমগ্র বাংলাদেশের ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত। শিক্ষা-ঐক্য-প্রগতি আমাদের প্রধান স্লোগান যা আমরা যথাযথভাবে ধারণ করি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সাম্য ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের, গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার, সাধারণ মানুষের অধিকার সমুন্নত রাখার এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য শক্তিশালী ভূমিকা পালন করছে। তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান সুখী,সমৃদ্ধ, সাম্য,মানবিক ও ন্যায়বিচারের যে উজ্জ্বল রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেন সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে আমরা রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করে যাচ্ছি। আপনারা জানেন ঐতিহাসিক সকল আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছাত্রদল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, বাংলাদেশের যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের পাশে থাকতে, গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য, ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এবং বাংলাদেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কাজ করার জন্য। বর্তমান অবৈধ সরকার বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরকে ধ্বংস করে দিয়েছে। সেই ধ্বংসাত্মক অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমানের ঘোষিত ২৭ দফার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সঠিক ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের পরবর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
উক্ত প্রতিবাদ র্যালিতে আরো উপস্থিত ছিলেন জবি ছাত্রদলের সহ সভাপতি এম এ ফয়েজ, শামিম হোসেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোছাব্বির মিল্লাত পাটোয়ারী, মোস্তাফিজুর রহমান রুমি, ওয়াহিদুজ্জামান তুহিন, ইয়াকুব শেখ অনিক, সাখাওয়াতুল ইসলাম খান পরাগ, আরিফুল ইসলাম আরিফ, আসিফ আল ইমরান।
সহ সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন,
সমাজ সেবা সম্পাদক রবিন মিয়া শাওন,
তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রবিউল ইসলাম শাওন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক মিরাজ।
আরো উপস্থিত ছিলেন সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নাইমুর রহমান দুর্জয়, মামুন জামান, ইমন, রাহাত,মেহেদী, ইথার, সজিব, আয়াত।সদস্য রায়হান, আনোয়ার, তাজুল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।