
নিজস্ব প্রতিবেদক
ভাষানটেক : রাজধানী ভাসানটেক এলাকায় সিবি – ২০৩/১ পুরাতন কচুক্ষেত এলাকায় সাইমন মিয়া (৩০) নামে এক যুবক আত্ম হত্মহত্যা করে।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর ) রাত্রে পুলিশ সায়মনের জুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
সায়মনের গ্রামের বাড়ি পাঠান পাড়া,পোষ্ট অফিস- শইলপুর, থানা ও জেলা – ব্রক্ষন বাড়িয়া। সামনের বাবার নাম নেয়াব মিয়া(৬০), মা হোসেনা বেগম। ৫ ভাই বেনের মধ্যে সায়মন তৃতীয় নম্বর।
সায়মনের পরিবার সূত্র জানায় সায়মন দীর্ঘদিন ধরে মানুষিক ভারসাম্য হীন ছিলো। এর আগে সায়মন গার্মেন্টসে চাকরি করতো। মাথায় সমস্যা দেখা দিলে সে চাকুরী ছেড়ে দেয়। পরে ফ্লাট বাসায় মেস খওয়াতেন। এ ভাবে সংসার চালাতেন সায়মন।
কিছুদিন ধরে সায়মনের পাগলামি বেড়েগেলে প্রয় নিজে নিজে আত্য হত্মার চেষ্টাও করে। আজ বিকেল ৪ ঘটিকায় সায়মন তার কক্ষে প্রবেশ করে রুমের দরজা লাগিয়ে ফ্যানের সাথে ওড়না প্যাচিয়ে আত্মহত্যা করে। পাশের রুমে সায়মনের স্ত্রী(তানজিলা) ঘুমিয়ে ছিলো পরে ৫:৩০ ঘটিকায় সায়মনের স্ত্রী ( তানজিলা) ঘুম থেকে উঠে সায়মনকে দেখতে না পেয়ে পাশের রুমের দরজা বন্ধ দেখে রুমের দরজা ভেঙ্গে সায়মনের জুলন্ত মরদেহ দেখতে পায় তখন সে পরিবারের সবাইকে ডেকে আনেন। পরে এলাকাবাসী থানায় ফোন দিলে থানা পুলিশ এসে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মেডিকেল হাসপাতালের মর্গে পাঠান। হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে জালাল উদ্দিন তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। একপর্যায়ে তিনি নিজে স্ত্রীর ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছেন।
ভাষানটেক থানার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিয়াকত জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ বিষয়ে আপাতত ভাষানটেক থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হবে পরে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর তারা পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।