
গাজীপুর জেলার অন্তর্গত দুই হাজার বছরের প্রাচীনতম জনপদ কাপাসিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত বারিষাব ইউনিয়নের নরোত্তমপুর গ্রামের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আধুনিক ও ইসলামিক শিক্ষার সমন্বয়ে তথ্য-প্রযুক্তি-সমৃদ্ধ *ভাওয়াল ইসলামিক ক্যাডেট একাডেমি* একটি স্বনামধন্য আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠানটি এ অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উচ্চশিক্ষা লাভের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান।
তৌফিক সুলতান স্যার ইতিপূর্বে বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত ছিলেন। সাম্প্রতিক ঘাগটিয়া চালা জুনিয়র মডেল স্কুল থেকে ভাওয়াল ইসলামিক ক্যাডেট একাডেমির সহঃ প্রধান হিসেবে দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন।
জনাব তৌফিক সুলতান স্যারের পরিচালনায় ভাওয়াল ইসলামিক ক্যাডেট একাডেমিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাবে বলে আশাবাদী। শিক্ষার মান উন্নয়নে, বাস্তব সম্মত শিক্ষা সহ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন। এমনটিই প্রত্যাশা অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, প্রধান শিক্ষক সহ সকল শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।
*জনাব, ফরহাদ ফকির এর বাণী*
প্রধান শিক্ষক,ভাওয়াল ইসলামিক ক্যাডেট একাডেমি।
ভাওয়াল ইসলামিক ক্যাডেট একাডেমি একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশের উন্নয়নমূলক কাজে অবদান রাখছে। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি সহ অন্যান্য সকল কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখবে বলে আশাবাদী। আমি তাদের সার্বিক কল্যাণ কামনা করি। তাছাড়া তৌফিক সুলতান স্যারের অনেক সুনাম রয়েছে। আমি আশাকরি স্যারের নেতৃত্বে আমাদের প্রতিষ্ঠান এগিয়ে যাবে অনেক দূর। আমরা সবাই স্যারের সাথে রয়েছি।
*জনাব, তৌফিক সুলতান এর বাণী*
সহ-প্রধান শিক্ষক,ভাওয়াল ইসলামিক ক্যাডেট একাডেমি।
ভাওয়াল ইসলামিক ক্যাডেট একাডেমি একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কল্যাণমূলক শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে এর শিক্ষার্থীরা এই প্রতিষ্ঠানের সম্মান ও গৌরব ধরে রেখেছে। ভবিষ্যতে ভাওয়াল ইসলামিক ক্যাডেট একাডেমি-র শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজে বিশেষ অবদান রাখবে বলে আমি আশাবাদী। আমি তাদের সার্বিক কল্যাণ কামনা করি। আমি বিশ্বাস করি সবার সহযোগিতায় এই প্রতিষ্ঠান একটি রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। আমি আমার সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করবো যেন এই প্রতিষ্ঠানের সম্মান ও খ্যাতি ধরে রাখতে পারি।
শিক্ষা জাতীয় মেরুদন্ড একজন শিক্ষকের সফলতা নির্ভর করে তার শিক্ষার্থীদের সফলতার উপর।
শিক্ষক হচ্ছেন মানুষ গড়ার কারিগর। তারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত। তাদের হাত ধরেই মূলত শিক্ষার্থীরা জ্ঞানের মহাসাগর পাড়ি দেয়। শিক্ষকরা প্রদীপের মতো নিজেকে জ্বালিয়ে অন্যকে আলোদান করেন, অর্থাৎ শিক্ষক অমর, তিনি বেঁচে থাকেন ছাত্রের আদর্শের মাধ্যমে শিক্ষকরা শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই শিক্ষা দেন তা কিন্তু নয়। তারা জীবনের সর্বক্ষেত্রে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেন। একজন আদর্শ শিক্ষকের কিছু কাজ ও দায়বদ্ধতা আছে। এ কাজ ও দায়বদ্ধতা সহকর্মীদের কাছে, সমাজের কাছে, দেশ ও জাতির কাছে, আগামী প্রজন্মের কাছে। একজন সফল মানুষের পেছনে শিক্ষকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। প্রত্যেক শিক্ষকের উচিত শিক্ষার্থীর শিক্ষার প্রতি অনুরাগ জাগ্রত করা। শিক্ষার্থীদের অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যাওয়া এবং বাস্তব ও সত্য অনুসন্ধানে শিক্ষার্থীদের সাহায্য করা। শিক্ষক শুধু সফল নয়, একজন ভালো মানুষ হতে শেখান। প্রত্যেক শিক্ষকের উদ্দেশ্য থাকা উচিত আদর্শ শিক্ষা। শিক্ষককে হতে হয় নৈতিক আদর্শে উজ্জ্বল। যিনি শিক্ষার্থীর হৃদয়ে জ্ঞান তৃষ্ণা জাগিয়ে মনের সুকুমার বৃত্তিগুলোর পরিচর্চা করে শিক্ষার্থীকে আদর্শ মানুষে পরিণত করেন।
শিক্ষকতা হচ্ছে সম্মানজনক একটি মহান পেশা এবং পৃথিবীর সব পেশার সেরা। শিক্ষকরা হচ্ছেন সভ্যতার ধারক-বাহক। শিক্ষক শুধু শিক্ষাদানই করেন না, তিনি মানুষ গড়ার কারিগরও। পিতা-মাতা আমাদের জীবনদান করেন ঠিকই। শিক্ষকরা সেই জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেন। শিক্ষকরা স্ব-মহিমায় বিশুদ্ধ জ্ঞান, মানবিক আর নৈতিক শিক্ষায় সুশিক্ষিত এবং দীক্ষিত করে গড়ে তোলেন দেশের যোগ্য নাগরিক। শিক্ষা যেহেতু জাতির মেরুদণ্ড শিক্ষকরা হচ্ছেন এই মেরুদণ্ড গড়ার কারিগর। এ সমাজের মধ্যে নৈতিক বিচারে শিক্ষকদের চেয়ে সম্মানিত এবং শিক্ষকতার চেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পেশা দ্বিতীয়টি নেই। এ কথা সর্বজন স্বীকৃত যে, পৃথিবীতে যতগুলো সম্মানজনক পেশা আছে এসব পেশার মধ্যে শিক্ষকতা সর্বোচ্চ সম্মানিত পেশা। একজন শিক্ষক সমাজের সব শ্রেণির মানুষের কাছে অত্যন্ত মর্যাদা ও সম্মানের পাত্র। উন্নত বিশ্বে শিক্ষকতা পেশাকে শ্রেষ্ঠ পেশা হিসেবে গণ্য করা হয়। ন্যায়-বিচার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং একটি আদর্শ জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। শিক্ষা আলোকিত সমাজ বিনির্মাণের হাতিয়ার। শিক্ষকরা হলেন তার সুনিপুণ কারিগর। শিক্ষা ছাড়া আলোকিত মানুষ সৃষ্টি কোনোভাবেই সম্ভব নয়। শিক্ষক শুধু শিক্ষাদানই করেন না, তিনি মানুষ গড়ার কারিগরও।