
টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি
রাহিদ রানা
সখিপুর উপজেলার তক্তারচালা-হতেয়া সড়কের ২১০ মিটার অংশের পুনঃনির্মাণ কাজ দীর্ঘায়িত হওয়ায় চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।সংস্কার কাজের মন্থরগতি এবং সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণের ফলে সড়কটির ওই অংশ এখন কাদার সাগরে পরিণত হয়েছে,যার ফলে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে।এই সড়কটি সখিপুর ও মির্জাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে যাওয়ায় এটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।সড়কটি দিয়ে সখিপুর ও মির্জাপুর উপজেলার পাশাপাশি গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও শ্রীপুর উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করেন।বিকল্প কোনো সড়ক না থাকায় এ অঞ্চলের শিক্ষার্থী,চাকরিজীবী ও স্থানীয় জনসাধারণ ভয়াবহ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।বিশেষ করে পশু ব্যবসায়ীদের জন্য এই সড়কটি এখন মরণফাঁদ।টাঙ্গাইলের বৃহত্তম সাপ্তাহিক পশুর হাট ‘কাইতলা হাটে’র এক-তৃতীয়াংশ গরু-মহিষ নিয়ে আসেন গাজীপুরের কালিয়াকৈরের ফুলবাড়িয়া,শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তা এবং পিরোজালি এলাকার ব্যবসায়ীরা।সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় পশু পরিবহনে ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম বিপাকে।বিকল্প সড়ক না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ব্যবসায়ীরা এই সড়ক ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন,যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।স্থানীয়দের অভিযোগ,সংস্কার কাজে ধীরগতি এবং বর্ষার কবলে পড়ে সড়কটি এখন বড় ডোবায় পরিণত হয়েছে।জরুরি রোগী পরিবহনে চলতে পারছেনা অ্যাম্বুলেন্স।দ্রুততম সময়ের মধ্যে সড়কটি অন্তত চলাচলের উপযোগী করে তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালো দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।দ্রুত সড়কটি সংস্কার না করলে স্থানীয় অর্থনীতি ও যাতায়াত ব্যবস্থা আরও বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।এ বিষয়ে সখিপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো.আরিফুর রহমান জানান,জনসাধারণের দুর্ভোগের বিষয়টি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রডের খাঁচা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে,আশা করছি দ্রুততম সময়ের মধ্যেই ভোগান্তি দূর হবে।