মোঃ কামাল উদ্দিন চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
গত ইং ২৮/০৫/২০১৩ তারিখ পাহাড়তলী এলাকায় অতিভারীরা ভিকটিম আজাদুর রহমান (৩৫), পিতা-মৃত হাবিবুর রহমান, মাতা-মোছাঃ সাজেমা খাতুন, সাং-সরাইপাড়া, নাজির বাড়ী, খলিল মিতার বাড়ী, থানা-পাহাড়তলী, জেলা- চট্টগ্রাম’কে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে নৃশংসভাবে হত্যা করে। ঘটনার পর হতে এজাহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা আসামীরা চট্টগ্রাম মহানগর হতে পালিয়ে গিয়ে গা ঢাকা দেয়।
উক্ত ঘটনায় সিএমপি’র পাহাড়তলী থানার মামলা নং-২২, তারিখ- ২৮/০৫/২০23 ইং, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড রুজু হওয়ার পর মামলাটি তদন্তের জন্য ডিবি(পশ্চিম)’কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। আসামীদের গ্রেফতারের জন্য ডিবি পশ্চিম বিভাগের টিম-৪২ মাঠে নামে। ডিবি পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আসামীদের অবস্থান নিশ্চিত হয় এবং উপ-পুলিশ কমিশনার(ডিবি-বন্দর ও পশ্চিম) জনাব মোহাম্মদ আলী হোসেন মহোদয়ের সার্বিক তত্বাবধানে এবং অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার/জনাব মোহাম্মদ সামীম কবির এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার/জনাব কাজী মোঃ তারেক আজিজ এর নির্দেশনায় পুলিশ পরিদর্শক/জনাব রমিজ আহমদ, এসআই মোহাম্মদ রাজীব হোসেন, এসআই মোঃ রবিউল ইসলাম, এএসআই মোঃ নুরুন্নবী মুন্না ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ খুলনা জেলার পাইকগাছা থানাধীন শোলাদানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চট্টগ্রাম মহানগরের পাহাড়তলী আজাদ মার্ডারের মূলহোতা আবুল হাসনাত রাজু(৩৪) ও ওসমান (৩৫) দ্বয়-কে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে আটক করা হয় এবং চট্টগ্রামে অভিযান পরিচালনা করে আসামী আবুল হাসনাত রাজু ও ওসমান এর দেখানো ও সনাক্ত মতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ০২ (দুই) টি ছোরা উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় ভিকটিম আজাদের সাথে স্থানীয় নয়া বাজার বিশ্বরোড এলাকার চাঁদা আদায়ের বিষয় নিয়ে আটক আবুল হাসনাত রাজু(৩৪), এবং ওসমান (৩৫) এর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮/০৫/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ ভোর ০৪.৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম আজাদ তার বাসার গলির সামনে নয়াবাজার রোডে আসলে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা আবুল হাসনাত রাজু(৩৪), এবং ওসমান (৩৫) তাদের অপর সহযোগিদের নিয়ে ভিকটিম আজাদকে এলোপাতাড়ি ছুরি মেরে মারাত্মক আহত করে। পরবর্তীতে মেডিকেলে নেওয়ার পথে ভিকটিম আজাদ মারা যান।
