
মো: আমিনুল ইসলাম
দৌলতপুর (প্রতিনিধি) মানিকগঞ্জ
দৌলতপুর সাব -রেজিস্ট্রার অফিসে গত ০৮/১০/২৩ইং তারিখ থেকে স্থায়ী সাব -রেজিস্ট্রার
না থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছে জমি বিক্রেতা ও গ্রহীতা। আর কর্মহীন হয়ে পড়েছে দলিল লেখকেরা, জমি বিক্রি কমে যাওয়ায় সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব। এই অফিসে, অফিস সহকারী ১জন,মহরার ২ জন,টিসি মহরার ১ জন, অফিস সহায়ক ১জন এবং নকল নবিশ ১৫জন, আছে।
দৌলতপুর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস সহকারি মোহাম্মদ লুৎফর রহমান বলেন, পাঁচ মাস ধরে আমাদের এইখানে কোন স্থায়ী সাব রেজিস্ট্রার নেই। চলতি দায়িত্ব হিসেবে পালন করছেন আশীষ কুমার সরকার সাপ্তাহে শুধু এক দিন বৃহস্পতিবারে অফিস করে।
উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার আশীষ কুমার সরকার বলেন, আমি দুই -তিন মাস ধরে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দৌলতপুর সাব -রেজিস্ট্রার অফিসে আছি সাপ্তাহে শুধু বৃহস্পতিবারে অফিস করি, স্থায়ী সাব -রেজিস্ট্রার হলে অবশ্যই ভালো হয়।
অফিসের দলিল লেখক সমিতির সাবেক সভাপতি আ: হাই আল – হাদী বলেন,আমাদের স্থায়ী সাব- রেজিস্ট্রার না থাকায় আমরা দলিল লেখকেরা যেভাবে কর্মহীন হয়ে পড়েছি।তেমনি দলিল বিক্রেতা এবং গ্রহীতা হচ্ছে নানা রকম হয়রানির শিকার।
দলিল লেখকদের অভিযোগ একটি দলিল করতে অনেক নথিপত্র সংগ্রহ করতে হয় যেমন ব্যাংক ড্রাফ, প্রয়োজনীয় দলিল পত্র, ও নাম জারির খাজনা রশিদ এছাড়া এস এ, আর এস, পাকা পর্চা লাগে। দেখা গেছে কোন দলিল গ্রহীতা বা দাতা ভুল কমে একটি কাগজ আনেনি সেদিন আর দলিল কাজের সম্পন্ন হয় না আর যদি প্রতিদিন সাব রেজিস্ট্রার থাকে তাহলে আর ভোগান্তির শিকার হতে হয় না। এছাড়া একটি দলিল গ্রহীতা গ্রহীতা ও দাতার ৮ থেকে ১২ জন লোক আসে দলিল না হলে অর্থনৈতিক খরচ ও সময় নষ্ট হয়। তাই দলিল লেখারা বলেন দৌলতপুর সাব রেজিস্টার অফিসে একজন স্থায়ী সাব- রেজিস্ট্রার জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার মো:জাহিদ হোসেন বলেন,দৌলতপুর স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার জন্য কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশ্বস্ত করেছেন খুব দ্রুত স্থায়ী সাব রেজিস্ট্রার দেওয়া হবে।