
এইচ.এম.সাইফুল ইসলাম সাব্বির
পবিত্র রমজান মাসের সিয়াম সাধনার গুরুত্ব তুলে ধরে বড় বিঘাই যুব সমাজের উদ্যোগে এক মহতী ও হৃদ্যতাপূর্ণ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
২১ মার্চ (শুক্রবার) রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় অবস্থিত থাই কিং চাইনিজ রেস্টুরেন্ট-এ অনুষ্ঠিত এই ইফতার অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড় বিঘাই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যসহ স্থানীয় সমাজসেবক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজের সদস্যরা এতে অংশ নেন। ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রিত অতিথিরা একত্রে মিলিত হয়ে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করেন।
ইফতারের পূর্বে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা সমাজের উন্নয়নে যুবসমাজের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, “ইফতার শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়ানোর একটি সুন্দর উপলক্ষ। রমজান আমাদের সংযম ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়, যা সমাজে শান্তি ও একতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
বিশিষ্ট অতিথিরা আরও বলেন, “বড় বিঘাই যুব সমাজের এই মহৎ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। এই আয়োজন শুধু ধর্মীয় গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি যুবসমাজকে সামাজিক ও মানবিক কাজে উদ্বুদ্ধ করার এক অনন্য উদ্যোগ।”
নির্ধারিত সময়ের আগেই অতিথিরা একত্রিত হন এবং একসঙ্গে ইফতারের জন্য অপেক্ষা করেন। ইফতারের সময় হলে পরম তৃপ্তি ও ধৈর্যের সঙ্গে সকল রোজাদার ইফতার গ্রহণ করেন।
ইফতারের পর দেশ ও জাতির কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য এবং সমাজের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন একজন বিশিষ্ট আলেম, যিনি রমজানের ফজিলত ও আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন।
বড় বিঘাই যুব সমাজের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও তারা এ ধরনের সামাজিক ও কল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে। সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষদের সাহায্যার্থে নানা উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনার কথাও তারা উল্লেখ করেন।
এই আয়োজনে অংশ নেওয়া অতিথিরা আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন। মাহফিলটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সমাজের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।