
টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি
রাহিদ রানা
মির্জাপুরে সাড়ে ৫ হাজার হেক্টর বনভূমি অবৈধ দখলে শাল-গজারি গাছ কেটে গড়ে তোলা হচ্ছে ঘরবাড়ি” শিরোনামে গত১১মে দেশের স্বনামধন্য জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার ১৫ নং পৃষ্ঠায় মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বলে দাবি করেন টাংগাইল বন বিভাগের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল রেঞ্জের বংশীনগর বিটের বিট কর্মকর্তা রেজাউল করিম।
দেশের স্বনামধন্য এমন একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করায় বিট কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন আমি প্রকাশিত এ সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এমন একটি স্বনামধন্য জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশিত হলে পত্রিকাটির স্বনাম ক্ষুন্ন হবে বলে আমি মনে করি।বিট কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন,আমার বিট এলাকায় যেখানে বৈধ ব্যক্তিমালিকানাধীন রেকর্ডীয় ১ শতাংশ জমির মূল্য মাত্র ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা আর স্বাভাবিক ভাবে একটি ঘর তুলতে এক থেকে দেড় শতাংশ জমির প্রয়োজন হয়, তাই অবৈধভাবে আমাকে ১থেকে ৩লাখ টাকা দিয়ে মানুষ কেন ঘর তুলতে যাবে?তবে কোথাও যদি অবৈধ ভাবে সরকারি বনের গাছ কেউ কেটে নেয় তাহলে তাৎক্ষণিক ভাবে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি এবং কোথাও যদি কেউ অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলে সেক্ষেত্রে আমরা অভিযান পরিচালনা করে তা উচ্ছেদ করে দিয়ে থাকি।
ইত্তেফাক পত্রিকার সম্মানিত ওই প্রতিনিধি আমার বক্তব্য না নিয়েই সংবাদ প্রকাশ করেন, এটা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রনোদিত। তবে বনের জমির পাশে যদি কারো ব্যক্তিমালিকানাধীন রেকর্ডীয় সম্পত্তিতে ঘরবাড়ি তৈরি করেন সেখানে বাঁধা দেয়ার আমাদের কোন এখতিয়ার নেই।