
মো নাজিউল্লাহ ভূইয়া
স্টাফ রিপোর্টার, কেরানীগঞ্জ,ঢাকা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সরকারি ইস্পাহানি কলেজ শিক্ষার্থী শহীদ রিয়াজ হোসেনের স্মরণে ঢাকার কেরানীগঞ্জে আপামর জনতাকে সঙ্গে নিয়ে শোক সভা করেছে সাধারন শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
এ সময়ে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক আন্দোলনের কর্মী ও সাবেক ছাত্রনেতা শহিদুল ইসলাম রাজু বলেন, ❝দেশ আমাদের সকলের, আমরা কেউ দেশের কোন সম্পদের ক্ষতি করবো না, সকলকে ধৈর্যের সাথে সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মানে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ছাত্রদের আত্মত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতা। তাই আমাদের সকলকে সজাগ থেকে এই স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে।❞
শিক্ষার্থীরা এসময় দাবি রাখেন ইস্পাহানি কলেজের একটি ভবন শহীদ রিয়াজের নামে নামকরণ ও উপজেলা চত্বরে শহীদ রিয়াজের
স্মৃতিস্তম্ভ নির্মানের।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সরকারি ইস্পাহানি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সোহানুর রহমান সোহেল, বাবর মিয়া, সায়মন চৌধুরী,শাওন আহমেদ, আসাদ, সজল, মাহাবুবুর রহমান, মো. নোমান, হাসিবুরসহ আসেপাশের প্রতিষ্ঠানের কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
এছাড়াও শিক্ষার্থীরা কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন সড়ক পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে এবং তারা রোস্টার করে সারাদিন কদমতলীসহ কেরানীগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে শৃঙ্খলা রক্ষার কাজ করেন।
এছাড়া গত বুধবার রাত নয়টার দিকে কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত শহীদদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। এতে কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েক শ শিক্ষার্থী,শিক্ষক অভিভাবক ও সাধারণ জনগণ অংশ নেন।
এসময় শহীদদের স্মরণে তারা মোমবাতি প্রজ্বলন করে। পরে তারা বিভিন্ন স্লোগানে মিছিল নিয়ে কদমতলী থেকে জিনজিরার জনি টাওয়ার এলাকা পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।
চুনকুটিয়া স্কুল এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী রাওজা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যারা নিহত হয়েছেন তাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরন করে মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করেছি। আমরা দেশ স্বাধীন করেছি এবং আমরাই এই দেশ গড়ব।
অপরজন রেবেকা সুলতানা বলেন, এই আন্দোলনে যাঁরা শহীদ হয়েছেন মোমবাতি প্রজ্বলন করে আমরা তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। এ ছাড়া আন্দোলনে যাঁরা আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শিগগিরই তাদের সুস্থতা কামনা করছি।