
ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সকল প্রকার নাগরিক সেবা বন্ধ রয়েছে। পরিষদের ইউপি সদস্য মোঃ জাহিদুল ইসলাম তাকে প্যানেল চেয়ারম্যান চেয়ে গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৪ইং তারিখে মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করে। তার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ জানুয়ারি সোমবার মাননীয় বিচারপতি ফাতেমা নাজিব ও মাননীয় বিচারপতি সিকদার মাহমুদুর রাজি এর দ্বৈত বেঞ্চ বর্তমানে দায়িত্বে থাকা ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসক ও উপজেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা জনাব আবু সালেহ মোঃ ইফাদ ইসতিয়াক এর দায়িত্ব ৬ মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দেন।
স্থগিতাদেশ দেবার পর থেকে সুবিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সকল প্রকার নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত ইউনিয়নের নাগরিকবৃন্দ। সারাদেশে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম চলছে এই মুহুর্তে জন্মনিবন্ধন সংক্রান্ত কাজ করতে মানুষ পরিষদে গিয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগী নাগরিকবৃন্দ। তাছাড়াও নাগরিক সনদ,চারিত্রিক সনদ, ট্রেড লাইসেন্সসহ সকল সেবা বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল ইসলাম জানান ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার জন্য জন্ম নিবন্ধন এর অনলাইন কপি প্রয়োজনসহ বেশ কিছু কাজ ছিল কিন্ত কয়েকদিন পরিষদে গেলেও সেখান থেকে জানানো হয়েছে পরিষদের সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসক ও উপজেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা জনাব আবু ছালেহ মোঃ ইফাদ ইশতিয়াক বলেন। আমি স্বাভাবিক ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছিলাম গত ১৩ জানুয়ারি মহামান্য হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের পর থেকে আমি আমার কার্যক্রম বন্ধ রেখেছি।
রিটকারি ইউপি সদস্য জানান, প্রশাসকের মাধ্যমে নাগরিক সেবা পেতে অনেক ভোগান্তি ও সময় লাগতো। সেই ভোগান্তি থেকে ইউনিয়নের জনগণকে মুক্ত করতে ১১জন ইউপি সদস্য নিয়ে বৈঠক করে আমাকে প্যানেল চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়েছে। সবার সম্মতিক্রম রেজুলিউশন করে হাইকোর্টে রীট করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সেই অনুযায়ী রীট করলে ৬মাসের জন্য প্রশাসক কর্তৃক কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, একজন ইউপি সদস্য নিজেকে প্যানেল চেয়ারম্যান চেয়ে হাইকোর্টের একটা রীট পিটিশনের মাধ্যমে ৬মাসের স্থগিতাদেশ এনেছেন। তাই ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে ওই ইউনিয়নের সেবা গ্রহীতারা ভোগান্তিতে আছেন।