
শহিদুল্লাহ মনসুর, জাবি
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টা হতে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আলোচনা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
উপচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান দোয়া ও মিলাদে অংশগ্রহণ করেন।
এসময় উপচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান বলেন, হয়রত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবনী আমাদের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়, রাসূল (স:) জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের জীবনকে সাজাবো। গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা যে বিজয় পেয়েছি তা আমাদের রক্ষা করতে হবে। কেউ ভিন্ন মত পোষণের কারণে যদি অনিরাপদ হয়ে যায় তাহলে আমাদের এ বিজয় অর্থহীন।
সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের গ্যালারীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবনীর উপর কুইজ প্রতিযোগিতা ও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথকভাবে পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
পরে বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবন, কর্ম, শিক্ষা, ইসলামে শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদা ইত্যাদি বিষয়ের উপর আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লা হেল বাকী বলেন, অন্ধকার যুগের পশুসুলভ জীবনাচার ও জুলুম, নিপীড়ন–নির্যাতনের সামাজিক অন্যায়–অবিচার ও অত্যাচারের তমসা থেকে মানবতাকে সভ্যতার আলোর দিকে এগিয়ে নিতে; তিনি ভোরের সমীরণপ্রবাহ সঙ্গে নিয়ে, প্রভাত রবির রঙিন আলোয়, সকালের সূর্যের হাসি হয়ে উষার আকাশে উদিত হলেন মুক্তির দূতরূপে। বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত হযরত মোহাম্মদ (সঃ) জীবন জুড়েই আমাদের জন্য রেখে গেছেন শিক্ষা।
কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব মাওলানা ড. মাহমুদুল হাসান ইউসুফ বলেন, ইসলামকে নিয়ে সমাজে কিছু ভুল ধারণা আছে। সে সমস্যাগুলো ধরে অন্যরা নানা প্রশ্নবাণে জর্জরিত করে৷ তারা ভার্সিটিতে ছাত্রদের কিছু প্রশ্ন তুলে দিয়ে মনে দ্বিধা সৃষ্টি করে। বিদায় হজ্জের ভাশজণে রাসূল (সা) সাম্য, মানবতা, নারী অধিকারের স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করেছেন। কিয়ামত পর্যন্ত কোরআনের বিধান প্রাসঙ্গিক। কুরআন ও হাদীদের মূল উৎস থেকে জ্ঞান আহরণ করলে সকল ধরণের বিভ্রান্তি দূর করা সম্ভব।