
কক্সবাজার প্রতিনিধি
কক্সবাজার জেলার বিআরটিএ এর সহকারী পরিচালক ইউথুনু চৌধুরীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ অটরিক্সা অটোটেম্পু পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন এর সধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম মোস্তফা অনৈতিক ও অসোজন্যমূলক আচরণের কথা উল্লেক করে একটি অভিযোগ দায়ের করছে বিআরটিএ চেয়ারম্যান বরাবর।
গত(২৬ডিসেম্বর)২০২৩ইং সালে বাংলাদেশ অটোরিক্স অটোটেম্পু পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পেটে লিখিত আকারে ঢাকা বিআরটিএ সদর দপ্তরের চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ টি প্রধান করা হয়েছে।
দায়েরকৃত অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়, কক্সবাজার জেলা শ্রমিক ইউনিয়ন ফেডারেশনের নিকট লিখিত অভিযোগে প্রধান করে বাংলাদেশ অটোরিক্স অটোটেম্পু পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন কার্যালয়ে।এসময় লিখিত অভিযোগ পত্র উল্লেখ করা হয় নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করার খরচ নেওয়া হয় সর্বমোট ১৭,০০০/- টাকা। ২ খ্রি-হুইলার অটোরিক্সা ফিটনেস করার জন্য সরকারি ফি এরপর অতিরিক্ত খরচ নেওয়া হয় প্রতি গাড়ী ২,০০০/- টাকা। ৩- পারমিট নবায়ন ও ইস্যু অতিরিক্ত খরচ প্রতি গাড়ী ২৫০০/- টাকা। ৪. নতুন গাড়ী রেজিষ্ট্রেশনের সময় নিয়েছে সর্বমোট ৩২,০০০-৩৫,০০০/- টাকা। গত ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩ইং সালে নেতৃবৃন্দকে নিয়ে এসব বিষয়ে সরেজমিনে তদন্ত করতে কক্সবাজার জেলায় ইউনিয়ন অফিসে যাই এবং নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলেন বাংলাদেশ অটরিক্সা অটোটেম্পু পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন এর সধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম মোস্তফা। পরে গত (২০ ডিসেম্বর)২০২৩ইং সালে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সহকারে কক্সবাজার জেলা বিআরটিএ অফিস সহকারী পরিচালকের সাথে সাক্ষাত করে এবং বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করলে সহকারী পরিচালক কথা না শুনে এরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং নেতৃবৃন্দদেরকে বসার কোন ব্যবস্থা না করে তাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে অভিযোগ টি তদন্তের জন্য আদেশ দেন চট্টগ্রাম বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ), বিভাগীয় কার্যালয় এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরীকে।
এ ব্যাপারে বিআরটিএ, বিভাগীয় কার্যালয় এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী এর কাছে তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুষ্ঠু একটি তদন্ত চলছে এবং কেউ অপরাধ করলে থাকলে সেটির শাস্তি অবশ্যই পেতে হবে বলে জানান তিনি।