
ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠি পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে আজ রোববার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ইফতারের সময় স্বর্ণকার পট্টিতে ডাকাতির চেষ্টা করেছে ডাকাতরা। ইফতার চলাকালে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ডাকাতির চেষ্টা চালানো হয়।ডাকাতি চেষ্টা কালে একাধিক বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠে ঝালকাঠি শহর।
আতঙ্কের জনপদে পরিণত হয় ঝালকাঠি শহর।এই ঘটনায় এতে দুজন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।
এ সময় সাতটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের গ্লাসে দুটি গুলি লাগে। এতে গ্লাস বেধ করে গুলি বের হয়ে যায়। কিন্তু কেউ আহত হননি। জনতার ধাওয়া খেয়ে বোমা ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ডাকাত দল একটি মিনি পিকআপে করে শহরের সাধনা মোড় হয়ে ফায়ার সার্ভিস চাদকাঠি হয়ে ঝালকাঠি বরিশাল আঞ্চলিক সড়কে উঠে নলছিটির ষাটপাকিয়া হয়ে বরিশালের দিকে চলে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে একটি নীল রংয়ের পিকআপ ভ্যান ডাক্তার পট্টিতে এসে থামে।
১০ মিনিট যেতে না যেতে বাজারে ঢোকার রাস্তায় একটি জুয়েলারি দোকানের সাঁটারের তালা কাটার চেষ্টা করেন কয়েকজন। বিষয়টি টের পেয়ে এলাকার লোকজন ডাকাত সন্দেহ করে তাদের ঘিরে ধরেন।
ডাকাতদল অবস্থা বেগতিক দেখে ‘হাতবোমা’র বিস্ফোরণ ঘটাতে ঘটাতে ওই পিকআপ ভ্যানে উঠে বেপরোয়া গতিতে চাঁদকাঠি হয়ে বরিশালের দিকে চলে যায়।
এ সময় ফায়ার সার্ভিস মোড়, জেলা পুলিশ লাইনের সামনে, ষাটপাকিয়া স্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন মোড়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ডাকাতেরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনী সদস্যরা ও ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঝালকাঠি শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত করে ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, মাগরিবের নামাজের সময় শহরের ডাক্তারপট্টি এলাকায় ডাকাতির চেষ্টার ঘটনা ঘটে। কিন্তু স্থানীয় জনগণ ও পুলিশ সদস্যরা তাদের প্রতিহত করেছেন। তবে ককটেল বিস্ফোরণ করতে করতে পালিয়ে যায় ডাকাতেরা। শহরে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন আছে। সেনাসদস্যরা টহলে রয়েছেন। বিভিন্ন স্থানের সিসি ফুটে যাচাই করে ডাকাতদের শনাক্ত করা হবে।