
টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি
রাহিদ রানা
টাঙ্গাইলে আলোচিত ধর্ষণ মামলার বাদি মির্জা আফরোজ এশার(২২) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত মির্জা আফরোজ এশা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের করের বেতকা বোয়ালী গ্রামের মৃত লতিফ মির্জার মেয়ে।
১৮ নভেম্বর শনিবার বিকালে বোয়ালী নিজ বাসার ৩য় তালা থেকে এশার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরফুউদ্দিন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার বিকেলে নিজ বাসায় রুমের ভিতর এশার মির্জার শিশু পুত্রের কান্না শুনতে পায় তনিমা আক্তার নামের এক নারী। পরে আশপাশের লোকজনকে জানালে তারা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
তনিমা আক্তার বলেন, রুম থেকে বের হয়ছি পরে এশার বাচ্চার কান্না শুনতে পেয়ে দরজায় ধাক্কা দেই কিন্তু দরজা বন্ধ পাই। পরে পুলিশকে কল দিলে রুম খুলে দেখে এশা ঝুলে আছে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া পিপিএম জানান, আলোচিত ধর্ষণ মামলার বাদি মির্জা আফরোজ এশা তার তিনতলা বাসার নিজরুমে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। এমন খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধারের কার্যক্রম চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ এপ্রিল টাঙ্গাইল সদর থানায় ওই নারী মামলায় অভিযোগ করেন যে , গত বছর ১৭ ডিসেম্বর গোলাম কিবরিয়া তাকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এতে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে গত ২৯ মার্চ গোলাম কিবরিয়ার শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে তাকে মারধর করা হয় এবং বড় মনি তাকে আবার ধর্ষণ করেন। মামলায় বড় মনি’র স্ত্রী নিগার আফতাবকেও আসামি করা হয়।
পরে ওই কিশোরী আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয়। ওই সময় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়। সেই ডাক্তারি পরীক্ষায় ওই কিশোরী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বার প্রমাণ পাওয়া যায়। কিন্ত তখন মামলার এজাহারে প্রায় সাড়ে ৩ মাস উল্লেখ করা হয়েছিলো।