
স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আলমগীর হোসেন সাতক্ষীরা।
সাতক্ষীরায় ভিসা পেতে ব্যাপক হয়রানির প্রতিবাদে ভারতীয় ভিসা অফসে বিক্ষোভ করেছে বিক্ষুব্ধ ভিসাপ্রার্থীরা। কয়েক মাস ঘুরে ঘুরে ভারতীয় ভিসা না পাওয়ায়।বুধবার দুপুরে ইটাগাছাস্থ ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ করে কয়েকশ’ ভিসাপ্রার্থী। ভিসা না পাওয়ার বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে,পরে এমন আশ্বাসে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
সাতক্ষীরার সদরে ও ঝাউডাঙ্গা কলারোয়া নলতা কালিগঞ্জ দেবহাটা, বসবাস করি একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ‘‘ ভারতীয় ভিসা পাওয়া এখন রীতিমত ভাগ্যের ব্যাপার। সাতক্ষীরা সদরের বাসিন্দার মোঃ আলমগীর হোসেন জানায় যে ভিসা পাওয়া মানে স্বর্ণের হরিণ পাওয়া বর্তমান। কমপক্ষে ৩ মাস পার না করলে আবেদন করা যায়না। আবেদন ফি ৮৭৫ টাকা। আবেদনের পর ভিসা প্রাপ্তিতে এক থেকে দেড় মাস অথবা দুই মাস কখনো ৩ তিন মাস সময় বেঁধে দেওয়া হয়। তবে ২/৩ মাস পরে ভিসাও আসেনা,পাসপোর্ট বইও ফেরত পাওয়া যায়না। অনেকের ক্ষেত্রে চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়া খুবই দরকার জানান যায়।
একই এলাকার বহু মানুষের অভিযোগ, তিন মাস আগে বই জমা দেওয়া ছিল। এখন বই ফেরত দেওয়া হচ্ছে ভিসা ছাড়াই। এছাড়া ভিসা না দেওয়ার নির্দিষ্ট কোন কারণও জানানো হয় না । শুধু তাই নয়, বই জমা দেওয়ার সময় অফিসের কর্মীরা আবেদনকারীদের সঙ্গে যে রুঢ় আচরণ করে,তা ভাষায় প্রকাশযোগ্য নয়। সামান্য ত্রুটিতে বই ছুড়ে ফেলে দেয়। ’’
আশাশুনির এক ব্যক্তি সূত্র জানা যায় যে সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন ভিসাকেন্দ্রে লাখ লাখ আবেদন জমা পড়ে। ই-টোকেনসহ প্রতি আবেদনে ১ হাজার ২০০ টাকা খরচ হয়। ভারত কোটি কোটি আয় করছে,অথচ আমাদের ভিসা দিচ্ছেনা। এর জবাব তাদেরকে দিতে হবে। ’’
আশাশুনির সনাতন ধর্মের এক ব্যক্তির ৪ মাস ধরে অপেক্ষা করে ভিসা পেলাম না। আমার স্ত্রী খুবই অসুস্থ। তাকে ভারতে নিতে হবে। আমাদের একটাই দাবি,ভিসা চাই।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে ভিসা অফিসের এক কর্মরত বলেন, ভিসা দেওয়া বা না দেওয়া আমাদের হাত থাকেনা। আমরা স্থানীয় মানুষের বিক্ষোভের কথা ঢাকায় কেন্দ্রীয় ভিসা অফিসে ও কমিশনার নিকট জানিয়েছি।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান,ইটাগাছাস্থ ভারতীয় ভিসা অফিসের উদ্ভুদ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিছু মানুষকে পাসপোর্ট বই ফেরত দেওয়া হয়েছে। বাকী মানুষদের আশ্বস্ত করা হয়েছে,উদ্ভুত পরিস্থিতি ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনে জানানো হবে। ’’