
টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি
রাহিদ রানা
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের সোনালীয়া চকবাজার গ্রামের মামলার আসামি গিয়াস সরকারসহ সকল আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সোমবার বিকেলে মানববন্ধন করেন স্হানীয়রা।মানববন্ধন শেষে আসামি গিয়াস সরকারের বাড়িতে ভাঙঁচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষুব্ধরা।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়।সন্ধ্যার পর মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,গত শুক্রবার গিয়াস সরকারের কলাবাগানে চাচা আকবর আলীর ছাগল যাওয়াকে কেন্দ্র করে গিয়াস ও আকবরের মধ্যে তর্ক- বির্তক হয়।একপর্যায়ে গিয়াস তার হাতে থাকা কোঁদালের বাট্ দিয়ে আকবর আলীর (৫৫)মাথায় আঘাত করেন।পরে আহত আকবর আলীকে আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং জানা যায়,বর্তমানে তিনি লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।পরের দিন শনিবার আকবরের ছেলে নাঈম বাদী হয়ে গিয়াস সরকারসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।ওই রাতেই পুলিশ দূ’জন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠান।মানববন্ধনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আফজাল হোসেন,বাঁশতৈল ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম আক্কাস, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আহমেদ রানা,স্হানীয় আজাদ রহমান ও শামসুজ্জামান লেবু,অভিরাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি রানা হোসেনসহ প্রায় ৫ শতাধিক নারী পুরুষ অংশগ্রহন করেন।মানববন্ধন শেষে কয়েকজন উত্তেজিত জনতা গিয়াস সরকারের বাড়িতে গিয়ে হামলা ভাঙঁচুর ও ৪টি ঘরে অগ্নিসংযোগ করেন।এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও টিনের ঘর ও বিল্ডিংয়ের ভেতরের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এবিষয়ে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)মো.মোশারফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন,পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।এবং এধরনের ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।